পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় গভীর রাতে দেখাল পেশীশক্তির মহড়া। দখলে নিল সৌদি প্রবাসীসহ দুই সহোদরের ৩০ শতক জমি। সরকার দলিল যার জমি তার এ নীতিতে বিশ্বাসী। সম্পত্তি সুরক্ষার জন্য সম্প্রতি জাতীয় সংসদে আইনও পাস হয়েছে। তবে এর ব্যর্থয় ঘটেছে পেকুয়ায়। গভীর রাতে গিয়ে দখলে নিল জমি। এ দিকে ৩০ শতক জমি নিয়ে উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের সুতাচোরা ঠান্ডারপাড়া এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ প্রকট আকার ধারণ করেছে।
শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে একদল দুবৃর্ত্তরা বিরোধীয় জমিতে অনুপ্রবেশ করে। এ সময় তারা দেশীয় তৈরী ধারালো দা, কিরিচ নিয়ে রাতেই ওই জায়গায় ঘেরা বেড়া স্থাপন করে। খবর পেয়ে জায়গার মালিকপক্ষ ওই স্থানে যায়। এ সময় প্রতিপক্ষের ভাড়াটে উত্তেজিত লোকজন ভোগদখলীয় মালিককে প্রাণনাশ চেষ্টা চালায়। জমি দখলের বিষয়ে পুলিশের জাতীয় সেবা “৯৯৯” এ ফোন করে। পেকুয়া থানা পুলিশকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। তবে পুলিশ রাতে সেখানে পৌছেননি।
জায়গার মালিক মগনামা ইউনিয়নের চেরাংঘোনার নেছার উদ্দিন ও উজানটিয়া ইউনিয়নের নতুনঘোনা পেকুয়ারচর এলাকার নাজেম উদ্দিন জানান, এ জমি ১৯৮৭ সালের দিকে আমরা দুই ভাই খরিদ করি। ১৯৫৮, ১৯৫৯ সালের দিকে এ জমি বন্দোবস্তীমূলে দলিলপ্রাপ্ত হন। ঠান্ডারপাড়ার ফকির মোহাম্মদের নামে বন্দোবস্তীমূলে দলিল ও পরবর্তীতে বিএস রেকর্ড প্রচার হয়। বিএস ১১৮ নং খতিয়ানের ১২৫০০ দাগ থেকে আমরা ৩০ শতক জায়গা ক্রয় করি। যার দলিল নং-৩১৮৪। আর এস ৩১৯৫, বাট্টা ৩৪২৪ থেকে বিএসে রেকর্ড এসেছে। সেই সময় থেকে আমরা জমি ভোগ করছি। ঘটনার দিন গভীর রাতে ঠান্ডারপাড়ার আবু তাহেরের পুত্র আবছার, সোলতান আহমদের পুত্র পুতুন আলী, নাসুর পুত্র পারভেজ, দিদার, ছাবের আহমদের পুত্র করিমসহ ১৫/২০ জনের দুবৃর্ত্তরা আমাদের জমিতে হানা দেয়। এ সময় তারা জমিতে বাঁশের টেংরাসহ ঘেরা বেড়া দেয়। আমরা “৯৯৯” ফোন করেছি। সেখান থেকে পেকুয়া থানাকে বিষয়টি জানানো হয়। পুলিশ যায়নি। তবে পেকুয়া থানার এস,আই সাইদ উদ্দিন উজানটিয়া ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি শাহ জামালকে এ বিষয়ে রাতে ফোন দেন। পুলিশ বলেছে তারা নাকি টহলে আছে। তবে দূরবর্তী স্থানে আছে। সে কারণে পুলিশ সেখানে পৌছতে পারেনি।
Leave a Reply