অলি উল্লাহ রনি, চকরিয়া:
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের
পহরচাঁদায় সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত সাইদুল ইসলাম রুবেল (৩৫) নামের আরো এক যুবককে আটক করেছে হারবাং ফাঁড়ি পুলিশ। ধৃত যুবক বরইতলী পহরচাঁদা ৮নং ওয়ার্ড হাফালিয়াকাটা এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে। ইতিপূর্বে সাহাব মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমান নামের ১নং আসামী গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।
নিহত সিএনজি চালক মো. আরমান গত ৯ জুলাই উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের পহরচাঁদা এলাকায় হত্যাকান্ডের শিকার হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭অক্টোবর) রাত ৩টায় হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক এস আই মোঃ আবদুল আজিজ শেখের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
প্রসঙ্গত: চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের পহরচাঁদা মাদ্রাসা ও সড়কের পাশে গত ১০জুলাই সকালে স্থানীয় লোকজন অজ্ঞাত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মৃতদেহটির শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মৃতদেহের ছবিটি প্রকাশ পেলে পরে লাশের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। সুত্র ও পরিবারের পক্ষ থেকে জানা যায়, মৃত ব্যক্তির নাম মোঃ আরমান (২৩)। সে পেশায় একজন সিএনজি চালক।৷ সে চকরিয়া পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ডের উত্তর কাহারিয়াঘোনা খোন্দকারপাড়ার বাসিন্দা মোঃ জকরিয়ার ছেলে।
নিহতের বড় ভাই শহিদুল ইসলাম বলেন, ৮জুলাই (শনিবার) সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে আরমানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। আমার ভাইকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ রশি দিয়ে বেঁধে সড়কে ফেলে দেওয়া হয়েছিলো।
পরে, ১০ জুলাই (সোমবার) সকাল ৭টার দিকে বরইতলী ইউনিয়নের পহরচাঁদা গোল চত্বর এলাকা থেকে আরমানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ চকরিয়া সরকারী হাসপাতালে নিয়ে এসে ময়না তদন্ত করে দাফন করেন। আমরা আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের সঠিক তদন্তপূর্বক বিচার দাবী করছি।
এ ব্যাপারে হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার চকরিয়া থানার মামলা নং ২১/৩২৭ তারিখ ১০ জুলাই ২০২৩ ইংরেজি।
Leave a Reply