পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় হামলায় মা- অন্ত:স্বত্তা মেয়েসহ ২ জন আহত হয়েছে। সৃষ্ট ঘটনার জের ধরে দুবৃর্ত্তরা একটি বসতভিটা থেকে অন্তত ৩০ টি ফলজগাছ কেটে সাবাড় করে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ২৩ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের কাদিমাকাটায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন কাদিমাকাটা এলাকার মৃত মোক্তার আহমদের স্ত্রী সালমা বেগম (৫০), মেয়ে ৬ মাসের অন্ত:স্বত্তা নাজমুন সাইদা সাকি (১৯)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর বারবাকিয়ায় কাদিমাকাটায় মোক্তার আহমদ (৫২) খুন হন। অন্ডকোষ ছেপে তাকে খুন করা হয়। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় পেকুয়া থানায় হত্যা মামলা রুজু হয়। এ দিকে নিহত মোক্তার আহমদের বসতবাড়ি আগুন দিয়ে সেই সময় ভস্মীভূত করা হয়। এরপর মোক্তার আহমদের স্ত্রী ও মেয়ে নাজমুন সাইদা সাকিকে পৈত্রিক ভিটা ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। তারা প্রাণনাশ ভয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। সম্প্রতি নিহত মোক্তার আহমদের স্ত্রী সালমা বেগম ও মেয়ে নাজমুন সাইদা সাকি পুরানো বসতভিটায় বসতি তৈরীর কাজ করছিলেন। এ সময় পরিকল্পিতভাবে হত্যাকান্ডে জড়িত ব্যক্তিরা নিহতের পরিবারকে ঘর তৈরীতে বাধা তৈরী করে। এ নিয়ে পেকুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন মোক্তার আহমদের মেয়ে সাকি। তবে সম্প্রতি মোক্তার আহমদের স্ত্রী সেখানে একটি ঘর তৈরী করে। ২০ নভেম্বর সকালে মৃত ছৈয়দ নুরের পুত্র রেজাউল করিম, তার স্ত্রী রুবি আক্তারসহ ৫/৬ জনের উত্তেজিত লোকজন সাকিদের বসতঘরে হানা দেয়। এ সময় ব্যাপক লুটপাটসহ তান্ডব চালায়। এমনকি ঘরটি গুড়িয়ে দেয়। এর জের ধরে দুৃবৃর্ত্তরা এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে নিহত মোক্তার আহমদের স্ত্রী সালমা বেগম ও অন্ত:স্বত্তা মেয়ে সাকিকে আহত করে। অপরদিকে একই ঘটনার জের ধরে ২৩ নভেম্বর সকালে রেজাউল করিমসহ দুবৃর্ত্তরা মোক্তার আহমদের বসতভিটা থেকে ৩০ টি ফলজ গাছ কেটে ফেলে। থানায় বৈঠকও রয়েছে। এ সব অমান্য করে তারা নিহতের ভিটা থেকে জোরপূর্বক এ সব গাছ কেটে সাবাড় করেছে। পেকুয়া থানার এস,আই মফিজুল ইসলাম জানান, শনিবারে উভয়পক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে থানায় হাজির থাকতে বলা হয়েছে। গাছ কাটার বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে। আমি গাছ না কাটতে নিষেধ করেছি। এর ব্যর্থয় ঘটলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে আইনী সহায়তা দেবে পুলিশ।
Leave a Reply