পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় উদ্ধার হয়নি ৭ম শ্রেণির স্কুল ছাত্রী সাইমা (১৫)। অপহরণের ৫ দিন পেরিয়ে গেল। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্তও পেকুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৭ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী জন্নাতুল সাইমা উদ্ধার হয়নি। খোঁজ মিলছেনা নিখোঁজ এ ছাত্রীর । বুধবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের টেকঘোনায় স্কুল ছাত্রী অপহরণের এ ঘটনা ঘটে।
অপহৃত জন্নাতুল সাইমা টেকঘোনা এলাকার মোহাম্মদ হাসান প্রকাশ হাসান মাঝির মেয়ে। স্থানীয় সুত্র জানা গেছে, বুধবার ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ৭ম শ্রেণির ছাত্রী জন্নাতুল সাইমা দশের ঘোনা থেকে অপহৃত হয়েছে। এর একদিন আগে ২৮ নভেম্বর সাইমা দশেরঘোনায় বড়বোন রুমি আক্তারের বাড়িতে বেড়াতে যান। এর ১ দিন পর বুধবার সন্ধ্যার দিকে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তবে এ নিয়ে পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে, জন্নাতুল সাইমা ও স্থানীয় নেজাম উদ্দিনের পুত্র আরফাতের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সাইমা ও আরফাতের সম্পর্কের কারণে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার বাকবিতন্ডাও হয়েছে। জানা গেছে, প্রেমের সুত্র ধরে হবুবর আরফাতসহ তার অনুগত কয়েকজন মিলে সন্ধ্যার দিকে বোনের বাড়ি থেকে সাইমাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে মেয়েটির খোঁজ মিলছে না। অপরদিকে জন্নাতুল সাইমার ঘনিষ্ঠ স্বজনরা জানান, মেয়েটির বয়স ১৫ বছর। ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। বিয়ের পিঁড়িতে বসানোর মতো সময় এখনো তার হয়নি। প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি অবান্তর। এটি মূলত অপহরণ। এ ঘটনাকে দায় এড়ানোর জন্য প্রেমের সম্পর্কের কথা প্রচার করছে। জন্নাতুল সাইমার মা সালমা জানান, বুধবার সন্ধ্যার দিকে আমার মেয়ে সাইমা দশের ঘোনা থেকে নিখোঁজ রয়েছে। বোনের বাড়িতে গিয়েছিল। আমরা খোঁজ নিচ্ছি। নেজামের ছেলে আরফাতকেও পাওয়া যাচ্ছে না। মেয়েরতো বয়স হয়নি। আরফাতের পিতা নেজাম উদ্দিন জানান, এটি মূলত অপহরণ নই। আমার ছেলে অপ্রাপ্ত বয়স্ক। বাড়াবাড়ির কিছুই নেই। প্রয়োজনে বিয়ে হবে। পেকুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, এ বিষয়ে কোন পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply