1. news@aponbanglanews.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
   
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বারবাকিয়ায় সংষ্কার কাজ চলছে কুতুব পাড়া ফৌজিয়া মসজিদে খুটাখালীতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে” বেগম খালেদা জিয়ার জন্য মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা মডেল মসজিদ মার্কেট মালিক সমিতির কমিটি গঠিত নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে পিস্তল-গুলিসহ দুইজন আটক চকরিয়ার মরহুম সাংবাদিক হান্নান শাহ’র পরিবারের পাশে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার কক্সবাজার-১ আসনে ধানের শীষ প্রার্থীকে সমর্থন করে গণঅধিকার পরিষদ প্রার্থীর প্রার্থীতা প্রত্যাহার ঘোষনা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণযোগ্য ভাবে আয়োজন সম্ভব: জাহিদুল ইসলাম মিয়া নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ করাতকলে অভিযান ৭মালিকে জরিমান নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে চোরাই পণ্যসহ দুইজন আটক পেকুয়ায় পাহাড় কেটে বালি উত্তোলন, নীরব প্রশাসন

অগ্নিকান্ডের ঝুঁকিতে চকরিয়া পৌরশহরের মার্কেট গুলো 

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ২৯৯ বার

এইচ এম রুহুল কাদের:
চকরিয়া পৌরশহরে অবস্থিত অধিকাংশ মার্কেট গুলো অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিতে রয়েছে । ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, অতি ঝুঁকিপূর্ণ এসব মার্কেটে পানির প্রাকৃতিক উৎস একেবারে কম,আগুন নেভানোর আধুনিক যন্ত্রপাতির সংযোজনও নগণ্য । মার্কেটগুলোতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক (ফায়ার এক্সটিংগুইশার) নেই। এ কারণে যেকোনো সময় আগুনে ধরে হতে পারে ব্যাপক প্রাণহানি। ফায়ার সার্ভিসের চকরিয়ার স্টেশন ইনচার্জ সেলিম উদ্দিন বলেন, আমরা নিয়মিত বলে আসছি জীবন ও সম্পদ রক্ষায় যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকা উচিত ।

এছাড়া তালিকায় থাকা অধিকাংশ মার্কেট ও বাজারের গলি সরু। পানিও পাওয়া যায় না। ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় এসব এলাকায় যন্ত্রপাতি নিয়ে দ্রুত পৌঁছানোও কঠিন। আমরা ব্যবসায়ীদের প্রায় সময়ই সচেতন করি। কিন্তু সচেতন হন না। কেউ হাজার টাকা দিয়ে একটি অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রও কেনেন না।

তার ওপর তারা অগ্নিনির্বাপণ আইন মতে, ফায়ার এক্সটিংগুইশার রাখেন না। একটি মার্কেটে যদি ১০০টি দোকানের মধ্যে ৩০ জনের কাছে ৫ কেজি ওজনের ফায়ার এক্সটিংগুইশার থাকে, তাহলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

সরেজমিনে দেখা যায়, মার্কেটের সাথে লাগোয়া বিদ্যুৎ লাইন, ইন্টারনেট লাইন এবং টেলিফোনের লাইন রয়েছে এলোমেলোভাবে। দুর্ঘটনা ঘটলে অনেক  মানুষের প্রাণহানি ঘটবে তা নিশ্চিত। ফায়ার সার্ভিস থেকে তাদের বারবার সতর্ক করে দিচ্ছে । কিছু স্থানে আগুন নেভানোর জন্য গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করাও সম্ভব না।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে আরো জানাযায়, গত ২০২৩সালে চকরিয়া উপজেলায় ৫১টি অগ্নিকান্ডের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যার মধ্যে ৩টি মার্কেটে। অবশিষ্ট অগ্নিকান্ডগুলো আবাসিক ভবন, দোকান, ধর্মিয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

নগর পরিকল্পনাবিদ নোমান বলেন,প্রতিটি মার্কেট ও ভবনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত জরুরি। কোনো মার্কেটে আগুন লাগলে তা নির্বাপণ করার ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। অনেক সময় বিল্ডিং কোড অনুসরণ না করে ভবন তৈরির কারণে ঘনঘন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সংঘটিত হয়।

স্থানীয়দের অভিমত,ভবন নির্মাণের অনুমতি দেয়ার সময় বিল্ডিং কোড অনুযায়ী সঠিক তদারকি হয় না, হলেও পরবর্তী আর মনিটরিং না থাকার কারণে এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে।

চকরিয়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রেজাউল হক সাওদাগর বলেন, আমরা এ ব্যাপারে মার্কেট মালিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। ফায়ার সার্ভিসের অফিসাররাও এসে বলে গেছেন। কিছু মার্কেটে অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম রাখলেও বেশিরভাগ মার্কেটে রাখছেনা । যাদের নাই তাদেরকে রাখার জন্য তাগিদ দেয়া হচ্ছে।

এই ব্যাপারে বক্তব্যের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারী (রবিবার) দুপুর ১২টায় চকরিয়া পৌরসভা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে গেলে প্রকৌশলীর সব কক্ষ তালাবদ্ধ দেখা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
©Apon Bangla News 2025, All rights reserved.
Design by Raytahost