পেকুয়া প্রতিনিধি :
কক্সবাজারের পেকুয়ায় রাজাখালী ইউনিয়নের দশেরঘোনায় ৫ ভাইয়ের বসতবাড়ি ভাংচুর করেছে দুবৃর্ত্তরা। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া হয়। প্রতিপক্ষের হামলায় বসতবাড়ির দুই গৃহবধূসহ ৩ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রæয়ারী) বিকেল আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহতরা হলেন রাজাখালী ইউনিয়নের দশেরঘোনার দিনমজুর আজিজুল হকের স্ত্রী রহিমা বেগম (৩০), রিক্সা চালক আবদু রহিমের বিলকিস আক্তার (৪০) ও তাদের শ^াশুড় মৃত ছমি উদ্দিনের পুত্র নুরুল ইসলাম (৬৫)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত কয়েকমাস আগে দশেরঘোনায় সরকারী মালিকানাধীন ১ নং খাস খতিয়ান ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় দিনমজুর আবদু রহিম, আজিজুল হক, হেলাল উদ্দিন, জহির উদ্দিনসহ ৫ ভাই মিলে বসতবাড়ি নির্মাণ করে। সেখানে পরিবার পরিজন নিয়ে তারা বসবাস করছিল। ৫ ভাই অত্যন্ত অসহায়। তাদের নেই দালিলিক কোন জায়গা জমি। চরের জায়গায় ৫ ভাই মিলে মাথাগোজার ঠাইটুকু তৈরী করে। ঘটনার দিন সকালে মাথাখিলা দাবী করে প্রতিবেশী আলী নেওয়াজ খান গং ওই জায়গায় অবমুক্ত করার চেষ্টা করে। এ ব্যাপারে রুবি আক্তার, রুমি আক্তার, মাসুমা খাতুনসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় ইব্রাহীম ফাঁসিয়াখালী এলাকার জাহাঙ্গীর, মোক্তার আহমদের পুত্র শাহাদাতসহ ১০/১৫ জনের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে ভীতি ও আতংক ছড়িয়ে সদ্য নির্মিত ৫ ভাইয়ের বসতবাড়ি ভাংচুর করে। মালামাল, ঘিরা বেড়াও গুড়িয়ে দেয়। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের দুই নারীসহ ৩ জন আহত হয়েছে। এ ব্যাপারে ইব্রাহীম জানান, আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা। এটি সরকারী জায়গা। এ সব সরকারের বিষয়। সরকারের সাথে কি কেউ পারে। পেকুয়া থানার ওসি মো: ইলিয়াছ জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply