বিজন কুমার বিশ্বাস:
থামানো যাচ্ছে না রোহিঙ্গাদের নাশকতা। একেরপর এক হত্য, ছিনতাই সহ অস্ত্রবাজি। ইতিমধ্যে টেকনাফ, উখিয়া, কক্সবাজার সহ আসে পাশের এলাকায় রোহিঙ্গারা নানান নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড জরিয়ে পরছে।
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নাশকতার পরিকল্পনায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ অবস্থান নেওয়া মিয়ানমারের সন্ত্রাসী সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির ৪ সক্রীয় সন্ত্রাসীকে আটক করেছে কক্সবাজার এপিবিএন।
গত বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে জামতলি রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৫ এর ব্লক-ই/৫ এ অভিযান চালিয়ে ৪ আরসা সদস্য কে গ্রেপ্তার করে।
আটককৃতরা হলেন, মোহাম্মেদ আমিন (২৩), পেটান শরীফ (৪৩), আবুল কাশেম (৩৩) ও সৈয়দুর রহমান (২৫)। এরা উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পের বাসিন্দা এবং আরসার শীর্ষ সক্রীয় সন্ত্রাসী বলে জানিয়েছে এপিবিএন এর পক্ষ থেকে।
এসময় ৪ আরসা সদস্য সহ উদ্ধার করা হয়, ৫ টি ওয়ান শুটারগান, ১ টি এলজি, ৩৬ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ৮ রাউন্ড গুলির খোসা, ৪ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ, ৩ টি হাতের তৈরি গ্রেনেড, ৩ টি বড় পটকা, ১ টি ওয়াকি-টকি সেট, ২টি বড় ছোরা, ১টি গুলতি এবং ২ টি লোহার ছিল।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মো. আমির জাফর।
মো. আমির জাফর বলেন, গোয়েন্দা তথ্য ছিল আরসা সদস্যরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নাশকতার উদ্দেশ্যে ক্যাম্প-১৫তে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গোলাবারুদ-গ্রেনেডসহ অবস্থান করছে। এপিবিএনের একটি দল রাতে ক্যাম্প এলাকায় পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ১০/১২ জন পালিয়ে গেলেও ৪ জনকে আটক করা হয়। পরে আটক আরসা সদস্যদের তথ্যানুসারে একটি ব্যাগ তল্লাশি করে তার ভেতর থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, আটক আরসা সন্ত্রাসীদের জিজ্ঞাসাবাদে শিকার করেন, মুলত ক্যাম্পের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করছিলো।
এ ব্যাপারে উখিয়া থানায় আটকদের সোপর্দ ও আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য
মামলা রুজু করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশ এই কর্মকর্তা।
Leave a Reply