বিজন কুমার বিশ্বাস:
আসছে ১৪ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত ৫ দিন ব্যাপী মুখ্য ও গৌণচান্দ্র চৈত্র ষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে শ্রী শ্রী বাসন্তী মায়ের প্রথম পূজা অনুষ্ঠিত হবে রবিবার ১৪ এপ্রিল, দ্বিতীয় দিন ১৫ এপ্রিল সোমবার মহাসপ্তমী পূজা, তৃতীয় দিন ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার মহা অষ্টমী পূজা, চতুর্থ দিন ১৭ এপ্রিল বুধবার মহা নবমী পূজা ও ১৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে পূজা সমাপ্ত হবে।
পূজার কাহিনী অনুসারে জানা যায়- অনেক দিন আগে রাজারা যুদ্ধে পরাজিত না হওয়ার জন্য শক্তির উপাসনা করতেন। সেই হিসেবে মহামায়াকে অপার শক্তির সাথে তুলনা করা হতো, আর এ বিশ্বাসের কারণেই তার আশীর্বাদ প্রাপ্ত হলে কোন কাজেই পরাজিত হওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করা হত। তাই সমস্ত কাজে জয়ী হওয়ার জন্য ও শত্রুপক্ষকে পরাজিত করা ও লক্ষ্যভেদ করার জন্য শক্তির উপাসনা করা করত। বর্তমানে এখনো কিন্তু এমন তাৎপর্য বহন করে সেটা বাসন্তী পূজা হোক, অকালবোধন হোক অথবা শারদীয়া দুর্গাপূজা।
এদিকে, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন দাশ বলেন- আমি আশাবাদী শ্রী শ্রী বাসন্তী মায়ের আশীর্বাদ লাভের আশায় বিগত বছরের ন্যায় এবারও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শান্তি ও সৌহার্দ্য পূর্ণ পরিবেশে মায়ের রাতুল চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন।
তিনি আরও বলেন- দুর্গাপুজোর মতোই সব নিয়ম আচার মেনে বাসন্তী পুজো করা হয়। বসন্ত কালে এই দুর্গাপুজো হয় বলে একে বাসন্তী পুজো বলা হয়ে থাকে। চিরিঙ্গা হিন্দুপাড়া ফেন্ডস্ ক্লাবের উদ্যোগে বাসন্তী পূজা উদযাপন কমিটির অর্থ সম্পাদক কালু দাশ প্রতিনিধিকে জানান, ইতিমধ্যে পূজার সকল কাজ শেষ হয়েছে এবারের পূজা আরো বেশি আনন্দঘন পরিবেশে হবে। আশাকরি প্রশাসন পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে। কমিটির পক্ষ থেকে যথেষ্ট ভলেন্টিয়ার রাখা হয়েছে। সাথে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটর করা হবে।
Leave a Reply