বিজন কুমার বিশ্বাস:
মহা সমারোহে কক্সবাজার চকরিয়া চিরিঙ্গা হিন্দুপাড়া ফেন্ডস্ ক্লাবের উআদ্যোগে শুরু হয়েছে বাসন্তী পূজা। চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষে দেবী দুর্গা ধরাধামে পূজিত হন। বসন্ত কালে এ পূজার আয়োজন করা হয় বলে একে বাসন্তী পূজা বলে।
১৪ এপ্রিল রবিবার ষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে শ্রী শ্রী বাসন্তী মায়ের প্রথম পূজা অনুষ্ঠিত হয়। আজ ১৫ এপ্রিল সোমবার মহাসপ্তমী পূজা, সন্ধায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার মহা অষ্টমী পূজা, সন্ধায় নৃত্য অনুষ্ঠান, ১৭ এপ্রিল চতুর্থ দিন বুধবার মহা নবমী পূজা, সন্ধায় পালাকীর্তন ও ১৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে পূজা সমাপ্ত হবে।মহাসপ্তমীতে চক্ষু দানের মাধ্যমে আবাহন করা হবে দেবী দূর্গার। দেবী ও চন্ডীপাঠ করে সিংহবাহিনীর সপ্তমীবিহীত পূজা সম্পন্ন হবে। ঢাকের বাদ্য, কাশর ঘণ্টা, শাঁখ ও উলুধ্বনীর মাধ্যমে অষ্টমী, নবমী, দশমী পূজা শেষে প্রতিদিনই মন্দিরে আগত ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হবে। পূজার ৫দিন সনাতনী সম্প্রদায়ের সকলে দেবীর চরনে ফুল অর্ঘ নিবেদন করবেন।
আসুরিক শক্তিকে পৃথিবী থেকে দুর করতে ষোড়শপচারে আরাধনা করা হয়েছে দুর্গতিনাশিনী দেবী দূর্গার। দেবী দূর্গা ভক্তদের পাপ থেকে মুক্তি দিয়ে পৃথিবী থেকে আসুরিক শক্তির বিনাশের মাধ্যমে শান্তি স্থাপন করবেন- এই কামনায় এই তিথিতে দূর্গোৎসবের আয়োজন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এ উৎসবে আনন্দে মাতোয়ারা সকল সনাতনী।
পুরাকালে মহারাজ সুরথ এ পূজার প্রচলন করেছিলেন বলে জানা যায়। অন্যদিকে শ্রী রাম চন্দ্র শরৎকালে রাবন বধের উদ্দেশে দেবী দূর্গার আরাধনা করেছিলেন। তখন থেকে শরৎকালে শারদীয় দূর্গাৎসব পালন করে আসছেন হিন্দু ধর্মের মানুষ। এছাড়া মহাশক্তি দেবী দূর্গা বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন নামে পূজিত হন।
চকরিয়া কেন্দ্রীয় হরি মন্দিরে বাসন্তী পূজার আয়োজক চিরিঙ্গা হিন্দুপাড়া ফেন্ডস্ ক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ সম্পাদক বলেন, বাসন্তী পূজার মধ্য দিয়ে সকল অপশক্তির বিনাশ হয়ে সকল মানুষের জীবনে সুখ শান্তি প্রতিষ্ঠা হোক। সকল সম্প্রদায়ের সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।
Leave a Reply