পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সদর ইউনিয়নের শেখেরকিল্যাঘোনায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে গভীর রাতে তান্ডব চালিয়েছে দুবৃর্ত্তরা। এ সময় উত্তেজিত লোকজন ব্যবসায়ী পিতা-পুত্রকে প্রাণনাশ চেষ্টা চালায়। মঙ্গলবার (৭ মে) দিবাগত গভীর রাতে পেকুয়া বাজারের ব্যবসায়ী পপুলার ফার্মেসীর মালিক মোস্তাক আহমদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, শেখেরকিল্যাঘোনায় পেকুয়া আদর্শ মহিলা মাদ্রাসার নিকটে জায়গা নিয়ে পেকুয়া বাজারের ব্যবসায়ী মোস্তাক আহমদ ও প্রতিবেশী মাওলানা কামাল হোসেনের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বসতভিটা থেকে মোস্তাক আহমদের পরিবারকে উচ্ছেদ করতে একাধিকবার ভাংচুরসহ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। বিগত ৩-৪ বছর ধরে উভয়পক্ষের মধ্যে একাধিকবার ঘটনার সুত্রপাত হয়। ঘটনার দিন গভীর রাতে পূর্ব শত্রæতার জের ধরে কামাল হোসেনের পুত্র শাহাজাহানসহ ৫/৬ জনের দুবৃর্ত্তরা মোস্তাক আহমদের বসতবাড়িতে হানা দেয়। এ সময় তারা জায়গাটিতে ফের জবর দখল তৎপরতা চালায়। এক পর্যায়ে মোস্তাকের পরিবারকে বাড়ি ছাড়া করতে বহিরাগত লোকজন বাড়ির ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। তারা হুমকি ধমকিসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করে। বসতবাড়ির প্রধান ফটক বন্ধ থাকায় সেখানে ধারালো কিরিচ দিয়ে গাছের দরজায় কুপ মারে। এ সময় বাড়ির দরজাটি এক প্রকার ভাংচুর করে। এ ব্যাপারে মোস্তাক আহমদের ছেলে মোহাম্মদ কায়েস জানান, মৌলভী কামাল ও তার ছেলে শাহজাহান কয়েক বছর ধরে আমাদের উপর অত্যাচার ও জুলুম নির্যাতন চালাচ্ছে। মাদ্রাসার উত্তর পাশে আমাদের বসতভিটা। এর অংশ থেকে গায়ের জোরে কিছু জায়গা কুক্ষিগত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। ২ বছর আগে তারা আমাদের সীমানা প্রাচীর গুড়িয়ে দিয়েছে। এর আগে সীমানায় টিনের ঘেরা ছিল। রাতে সন্ত্রাসী এনে ঘেরা ভাংচুর করে। দ্বিতীয় দফায় তারা ইটের তৈরী সীমানা প্রাচীরে গুড়িয়ে দেয়। এ ভাবে কয়েক দফা ভাংচুরসহ তান্ডব চালায়। সর্বশেষ মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে বহিরাগত লোকজনসহ আমাদের বাড়িতে হানা দেয়। তারা মূলত আমি ও আমার পিতাকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করছে। ওই দিন বহিরাগত লোকজন এনে মৌলভী কামালের ছেলে শাহাজান এ তৎপরতা চালায়। বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করেছে আমরা আত্মচিৎকার করেছি। তারা দরজায় ধারালো বস্ত দিয়ে আঘাত করেছে। এর প্রমাণ দরজায় আছে। অভিযুক্ত মৌলভী কামাল হোসেনের পুত্র শাহাজাহানের সাথে যোগাযোগ করা হয়। মুঠোফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পেকুয়া থানার ওসি মো: ইলিয়াছ জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply