পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় ভোর রাতেই নির্মিত হয়েছে অবৈধ স্থাপনা। দেশীয় তৈরী ধারালো অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে দুবৃর্ত্তরা ওমান প্রবাসীর বসতভিটায় হানা দেয়। এ সময় ভীতি ও আতংক ছড়িয়ে রাতেই জবর দখলে নিল প্রবাসীর বসতভিটার অংশ থেকে জায়গা। ১২ জুন ভোর রাতের দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের আন্নর আলী মাতবরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বসতভিটার জায়গা নিয়ে মাতবরপাড়ায় ফরিদুল আলমের পুত্র ওমান প্রবাসী হুবাইবুর রহমান মানিক ও মো: ইউসুফের পুত্র ইয়াসিন গংদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। জায়গাটি মানিকের বসতভিটার অংশ। সেখানে মানিকের পৈত্রিক বসতবাড়ি রয়েছে। কয়েক বছর আগে মানিকের মা মারা যান। মানিক ১ মাস আগে ওমান থেকে দেশে আসে। অপরদিকে মানিকের পিতা ফরিদুল আলম বরইতলীর একটি মসজিদে চাকুরী করেন। প্রলয়ংকরী ঘুর্ণিঝড়ে মানিকের পৈত্রিক বসতবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। এতে করে মানিকের স্ত্রী মগনামায় পিতার বাড়িতে অবস্থান করছিল। বসতভিটায় পরিত্যক্ত বাড়িটিতে মানুষের থাকা অনেকটা কষ্টসাধ্য ছিল। এ দিকে ঘটনার দিন ভোর রাতে মো: ইউসুফের পুত্র ইয়াসিন, তার পিতা ইউসুফসহ ৪/৫ জনের প্রভাবশালী চক্র মানিকের বসতভিটায় একটি ঘর তৈরী করে ফেলে। মানিকের বসতবাড়ির সামনে তারা বাঁশের টেংরা দিয়ে ঘেরা দেয়। খবর পেয়ে মানিক ও তার স্ত্রী, শাশুড়, শাশুড়ীসহ সেখানে যান। এ সময় ইয়াসিনসহ উত্তেজিত লোকজন দেশীয় তৈরী ধারালো অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে মানিকসহ তার সঙ্গে থাকা লোকজনকে প্রাণনাশ চেষ্টা চালায়। এ ব্যাপারে ওমান প্রবাসী মানিক জানান, তারা প্রভাবশালী। অবৈধ জনবল নিয়ে আমার ভিটায় রাতে গিয়ে অবৈধ স্থাপনা তৈরী করে। আমি এসে প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু তারা অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আমি ও আমার স্ত্রীকে প্রাণনাশ চেষ্টা চালায়। তারা মূলত সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন। আমরা অসহায়। আমার বাবা মসজিদে চাকুরী করে। আমি ওমান থাকি। ভয়ে এখন ভিটায় যেতে পারছি না। সন্ধ্যায় গিয়েছিলাম। দেখি তারা দা, কিরিচ নিয়ে সেখানে অবস্থান করছে। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষ মো: ইউসুফ জানান, এ জায়গায় আমরা অবৈধভাবে আসি নাই। জায়গাটি আমাদের। ইউনিয়ন পরিষদে বিচার ছিল। কিন্তু তারা যায়নি। পেকুয়া থানার ওসি মো: ইলিয়াছ জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply