1. news@aponbanglanews.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
   
শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মুক্ত স্বাধীনভাবে আমরা আগামী সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রয়োগ করব: সালাহউদ্দিন আহমদ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় গেলে লবণের সর্বোচ্চ মূল্য নিশ্চিত করা হবে- সালাহ উদ্দিন আহমেদ পার্বত্য শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে নাইক্ষ্যংছড়িতে জেএসএসের র‌্যালি–সমাবেশ চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্স পরিদর্শনে নবাগত পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খাঁন লোহাগাড়ায় ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের চাকরিতে পূণর্বহলের দাবিতে মানববন্ধন কক্সবাজার জেলা গণঅধিকার পরিষদের নতুন কমিটি অনুমোদন দুই ছেলে সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধু: সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ব্লকেড, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ চট্টগ্রামে যৌথ অভিযানে ২২ রোহিঙ্গা নাগরিক আটক সাতকানিয়া উপজেলায় একটি অসুস্থ পলাশ মেছো ঈগল উদ্ধার

পেকুয়ায় ১২ লক্ষ টাকা পাইয়ে দিতে স্ট্যাম্পে নিল ঘুুষের ৪ লক্ষ টাকা!

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০২৪
  • ১৮২ বার

পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় অধিগ্রহণের ১২ লক্ষ টাকা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে দালালচক্র হাতিয়ে নিল ৪ লক্ষ টাকা। ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনের জন্য এ অংকের টাকার ঘুষ দিয়েছে স্বামী-স্ত্রী দম্পতি। সম্প্রতি এ চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হয়েছে। অধিগ্রহণের চেকের টাকা নিয়ে ভূমির মালিক ও দালাল চক্রের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। কক্সবাজারের এলএ শাখার কর্মকর্তাদের কথা বলে ঘুষ নিয়েছে এলএ শাখার দালালচক্র। ১২ লক্ষ টাকা উত্তোলনের কথা বলে নিয়েছেন ক্যাশ ৪ লক্ষ টাকা। ননজুড়িসিয়াল স্ট্যাম্পমূলে দু’পক্ষের মধ্যে চুক্তি সম্পাদিত হয়। নোটারীর মাধ্যমে এফিডেভিট মূলে এ চুক্তিনামায় দাতা হিসেবে দালালচক্র স্বাক্ষর করে। সুত্র জানা গেছে, সরকার মগনামায় সাবমেরিন নৌঘাটি স্থাপন করে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে সাবমেরিন নৌঘাটির জন্য ভূমি অধিগ্রহণ কাজ শুরু করে। সাবমেরিন নৌঘাটিতে মগনামা কাজী বাজারের নজির আহমদের পুত্র নুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী খালেদা বেগমের ৬০ শতক দালিলিক সম্পত্তিও অধিগ্রহণ করা হয়। এলএ শাখায় অধিগ্রহণ মামলা রুজু আছে। যার নং ০২/২০১৫-১৬ ইং। বিএস ৫৪৮ ও ৫৫৬ খতিয়ান থেকে এ জমি অধিগ্রহণভূক্ত করে। মগনামায় বনৌজা শেখ হাসিনা নৌঘাটি স্থাপনের জন্য ওই বছর ৪৩০ একর জমি অধিগ্রহণ করে সরকার। পরবর্তীতে আরো বেশ কিছু জমিও অধিগ্রহণ করে। ওই বছর কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মগনামায় এসে ভূমির মালিকদের নিয়ে সমাবেশ করে। মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে কক্সবাজারের বিদায়ী জেলা প্রশাসক রুহুল আমিন ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেন অধিগ্রহণের চেক। এ দিকে তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, ৬০ শতক জমির ক্ষতিপূরণ পাননি নুরুল ইসলাম ও খালেদা বেগম দম্পতি। দীর্ঘ সময় থেকে তাদের মামলাটি অধিগ্রহণ শাখায় অনিস্পত্তি রয়েছে। অধিগ্রহণের ১২ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর হয়নি। এতে করে ওই দম্পতি টাকা উত্তোলনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখে। এরই মধ্যে এক দালালের খপ্পরে পড়ে নুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী খালেদা বেগম। মামলার অনুকুলে ১২ লক্ষ টাকা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রæতি দিয়েছে এলএ শাখার নুর আহমদ নামক এক দালাল। তার কথা মতে ৪ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়। নুর আহমদের বাড়ি মহেশখালী উপজেলার হোয়ানকের টাইম বাজারে। চেক হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নুর আহমদ নামক ওই দালাল ৪ লক্ষ টাকা আদায় করে। তবে এ লেনদেন নিয়ে দালাল নুর আহমদ ও ভূমির মালিক নুরুল ইসলাম-খালেদা বেগম স্বামী স্ত্রী দম্পতির মধ্যে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ২০২১ সালের ১ জুন স্বাক্ষরিত ওই চুক্তিতে ২য় পক্ষ নুর আহমদ অঙ্গীকারে বলেছেন, আমি এলএ শাখা থেকে পৃথক দুটি চেক প্রস্তত করিয়ে দিব। আমি এ লেনদেনের ক্ষেত্রে ৪ লক্ষ টাকা চুক্তিনামার গ্রহীতার কাছ থেকে বুঝিয়ে নিলাম। এ ব্যাপারে নুরুল ইসলাম জানান, ২০১৫-১৬ সালে অধিগ্রহণ মামলা হয়েছে। সেই সময় থেকে টাকার জন্য দৌড়ঝাপ করছি। কিন্তু কোন সুরাহা পাইনি। কক্সবাজার আসা যাওয়ার সময় নুর আহমদকে এলএ অফিসে নিয়মিত দেখি। তিনি সেখানে মহেশখালীসহ বিভিন্ন এলাকার অধিগ্রহণ নিয়ে কাজ করতে দেখেছি। তার বাড়ি মহেশখালী হোয়ানকে। ওই সুবাধে আমাদের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে ১২ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তরের কথায় আমরা রাজি হই। ৬০ শতক জমি নৌঘাটিতে পড়েছে আমার। ৪ লক্ষ টাকা দিয়েছি। নোটারিতে টাকা হলফনামা করে নুর আহমদ আমরা স্বামী-স্ত্রীর কাছ থেকে এ টাকা নিয়েছে। মূলত কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা বলে আমাদের কাছ থেকে এ টাকা নিয়েছে। এখন তার সাথে আমাদের যোগাযোগ নেই। নিশ্চিত প্রতারিত হয়েছি আমরা। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। আমি সরকার ও জেলা প্রশাসক মহোদয়কে বিনয়ের সহিত দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি। এতবড় ভোগান্তির পর আবার প্রতারনায় পড়েছি দালাল চক্রের হাতে। অধিগ্রহণের চেক ছাড় দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। প্রতারক নুর আহমদকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হউক। এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত নুর আহমদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। তার মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

©Apon Bangla News 2025, All rights reserved.
Design by Raytahost