পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় টইটং ইউনিয়নের নিত্যান্তঘোনায় খরিদকৃত জমিতেই নির্মিত হচ্ছে দোকান। ওয়াকফের জমিতে নির্মিত হচ্ছে না কোন স্থাপনা। সম্প্রতি দোকান নির্মাণ নিয়ে একটি দৈনিক পত্রিকাসহ অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পেকুয়ায় এরশাদ আলী ওয়াকফ স্টেটের জমিতে নির্মিত হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে দোকান নির্মাণ নিয়ে তথ্য অনুসন্ধানের জন্য সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) সকালে টইটংয়ের নিত্যান্তঘোনা গিয়ে দেখা গেছে সেখানে পাঁচকক্ষ বিশিষ্ট দোকানঘর নির্মিত হচ্ছে। স্থানীয় মৃত আবদুল হকের পুত্র হাজী জাফর আহমদ ওই দোকানঘর নির্মাণকাজ করছিলেন।
সুত্র জানা গেছে, ওই জমি জাফর আহমদের ভোগ দখলীয় সম্পত্তি। বিএস ৩৬ খতিয়ানের ৫৩ দাগের ওই জায়গা তিনি ২০১২ সালে পৃথক দুটি কবলামূলে খরিদ করেন। যার কবলা নং ২৫৯৭ ও ২৮০৯। আবুল আলম ও আবুল কাশেম গংদের ওয়ারিশ গং ওই জায়গা মফিজুর রহমানের পুত্র নুরুল আবছারকে বিক্রি করে। নুরুল আবছার ২০১২ সালে ওই জমি জাফর আহমদের মেয়ের জামাইকে বিক্রি করে। একই দাগের আন্দরে মৃত আবুল কাশেমের পুত্র সোলতানুল আজিজ গংরাও জাফর আহমদের মেয়ের জামাইকে জমি বিক্রি করে। তবে একই স্থানে বিএস ২১৩ নং খতিয়ানের ৫৩ নং দাগে এরশাদ আলী ওয়াকফর ২৪ শতক জমিও রয়েছে। এ জমিগুলি পূর্বে জবর দখলে ছিল। গত কয়েক বছর আগে এরশাদ আলী ওয়াকফের কার্যকারকরা এ জমি উদ্ধার করে। জমিটি এখনো নিষ্কন্ঠক রয়েছে। সেখানে ওয়াকফের চাষারা চলতি আমন মৌসুমে ফসল রোপণ করে। ওয়াকফর জমি জবর দখলের তথ্যটি সঠিক নয়। মূলত হাজী জাফর আহমদ তার জমিতেই দোকানঘর নির্মাণকাজ চলমান রাখে। ওয়াকফ স্টেটের কার্যকারক নুরুন্নবী জানান, বাঁশখালীর বাসিন্দা আবুল কাশেম গং এখনো এরশাদ আলী ওয়াকফ স্টেটের জায়গা জবর দখলে রেখেছে। আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট জমি উদ্ধারে সহযোগিতা কামনা করছি।
Leave a Reply