তৌহিদুল ইসলাম কায়রু
লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রাম লোহাগাড়া উপজেলাধীন বড়হাতিয়া হোছন নগরের পশ্চিমে পাহাড় কেটে মাটি পাচারের সংবাদে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ।
২৮ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যায় সাতকানিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (লোহাগাড়া অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফারিস্তা করিমের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও বনবিভাগ যৌথভাবে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানকালে পরিবেশ অধিদপ্তর জেলা পরিদর্শক মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন ফয়সল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের বন সংরক্ষক ও বন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন সহ পুলিশ বাহিনী, আনসার বাহিনী ও বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর জেলা পরিদর্শক মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন ফয়সল বলেন, “পাহাড় কেটে পরিবেশ যারা নষ্ট করবে তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু। পরিবেশ বিনষ্টকারীদেরকে কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনা হবে এবং দেশের স্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
সাতকানিয়া এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারিস্তা করিম বলেন, “সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জায়গায় মাটি পাচারের অপরাধে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ভূমি অফিস, বনবিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক পৃথক মামলা দায়ের করা হবে।”
সাংবাদিকের প্রশ্নে ভুক্তভোগী প্রবাসী মঞ্জুর আলম জানান, “উল্লেখিত জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দখলীয় ছিল, আমার বাবার মৃত্যুতে এবং আমাদের প্রবাসে থাকার সুযোগে মাটি পাচারের উদ্দেশ্যে আব্দুল হান্নান গং জোর পূর্বক দখলে নেয়।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল হান্নান মুঠোফোনে জানান, “আমি প্রবাস থেকে ফিরে আমার বন্দোবস্ত খতিয়ানভুক্ত জায়গায় উপজেলা প্রশাসনের অনুমতিক্রমে গত বছর একটি মৎস প্রকল্প করি। তাই যাতায়াতের সুবিধার্থে পাহাড়ের কিনারায় একটি রাস্তা তৈরি করছিলাম। তবে মাটি বিক্রি করছিলেন মোস্তাক আহমদ কোম্পানি, আমি নই।”
Leave a Reply