পেকুয়া প্রতিনিধি :
পেকুয়ায় এক বীর মুক্তিযুদ্ধা ও তার পরিবারকে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে বসত বিটা থেকে উচ্ছেদের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে হারুনর রশীদ নামক এক প্রভাবশালী।
তথ্য অনুসন্ধানে জানাযায়, পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটা গ্রামের বীর মুক্তিযুদ্ধা এস,এম,আবুবকর ছিদ্দিকের বসত বিটার জমি জবর দখল করতে একই এলাকার দলিলুর রহমানের ছেলে হারুনর রশীদ তার স্ত্রী ও ৩ কন্যা সহ চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের সংগঠিত করে মুক্তিযুদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যদের হেনস্তা করে আসছিল।
মুক্তিযুদ্ধা এস.এম.আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, আমার পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত ভোগদখলীয় জমি জবর দখলে নিতে আমি সহ আমার ছেলে রামু সেনা নিবাসের এস,এ,এস জিই(আর্মি)র চাকুরীজীবি সোলতান মাসুদ,মেয়ে নাজমা সোলতানা,স্ত্রী সাবেক ইউপি সদস্য খালেদা বেগম, ভাই মাও,মাহমুদুল হক, মিয়াকে আসামী করে বিভিন্ন আদালতে ১৯টি মিথ্যা মামলা দায়ের করে অব্যাহত হয়রানি করে আসছে। তিনি নিজে মামলা দায়ের করে মিথ্যা প্রমাণিত হলে কিছুদিন পর আবার মামলা দায়ের করে থাকে। স্থানীয় লোকজন যারা তাকে এসব হয়রানিমুলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থেকে কাগজপত্র অনুযায়ী জমি দখলে থাকতে অনুরোধ করলে এলাকার মেম্বার সহ গন্যমান্য ব্যাক্তিকেও মিথ্যা মামলায় আসামী করে হয়রানি করে আসছে। ১৯৯৮ ইংরেজী থেকে এপর্যন্ত কোন মামলার রায় তার পক্ষে নাগেলেও তার স্ত্রী ও কণ্যাদের দিয়ে উশৃংখল আচরণ করে প্রতিনিয়ত হয়রানি করে আসায় আমরা অসহায় হয়েপড়েছি।
তিনি আরো বলেন, ১৯৭৪ সালে সিদ্ধান্ত হয় হাজী আকাম উদ্দিনের ৫পুত্র ও কন্যার মধ্যে সোলতান আহমদ ও খলিলুর রহমানকে বিএস ৬০, ৫৯ খতিয়ানের ২৮৭ দাগ, ২৮৮, ২৮৯ ও ২৯০ দাগে দখল এবং অপর ৩ পুত্র ও ৩ কন্যাকে বিএস ৫৫,৫৬,৫৭,৫৮ খতিয়ানে দখলদেন সে অনুয়ায়ী ওয়ারিশগন ভোগদখলে আছেন, এদিকে হাফেজ মোজাম্মেল হকের কাছ থেকে ২০০০ সালে ৪৮২০ নং রেজি: কবলা মূলে মুক্তিযুদ্ধা এস,এম, আবু বকর তার ভাই মাও মাহমুদুল হক ১১ শতক জমি ক্রয় করলে স্থানীয় লোকজন সহ দখল বুঝিয়ে দিলেও হারন তার স্ত্রী ও মেয়েদের সহ সন্ত্রাসী দিয়ে সীমানা নেট, খুটি সহ অন্তত ৫০হাজার টাকার গাছ কেটে নিয়ে যায়। এপর্যন্ত ভোগদখলে এজমি নিতে দেয়নি।
স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদরা বলেন, হারুন একজন প্রতারক মামলাবাজ মানুষ, তার অন্যায়ের প্রতিবাদ কেউ করলে তার মেয়েদের দিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের ও হেনস্তা করায় এলাকায় অশান্তি বিরাজ করছে। কয়েকটি মামলায় এধরনের অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ ও জরিমানা করলেও তিনি এসবের তোয়াক্কা না করে ২০২৪ সালে আবারো অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামলা দায়ের করেন। বৃহত্তর সরকারী ঘোনা সমাজ কমিটির সভাপতি ফজল করিম বলেন, মিথ্যা মামলা দিয়ে সমাজের নিরহ লোকজনকে হয়রানি ও অসামাজিক কার্যকলাপের কারনে হারুনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
Leave a Reply