নিজস্ব প্রতিবেদক,পেকুয়া:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় বসতঘর পোঁড়া নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্কুল ছাত্রীসহ ৪ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১ জনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ২৩ ডিসেম্বর (সোমবার) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড পূর্ব সরকারীঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহতরা হলেন মৃত মৌলভী আমিরুজ্জামানের ছেলে শামশুল আলম (৭৫), ছোট ভাই হাফেজ ইব্রাহীম (৫২) ও তার স্ত্রী নুসরাত জাহান ডালিয়া (৪০), মেয়ে স্কুল ছাত্রী আনিছা জন্নাত প্রমি (১৪)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সুত্র জানায়, স্থানীয় মৃত মৌলভী আমিরুজ্জামানের পুত্র হাফেজ মো: ইব্রাহীম ও তার ভাই শাহ আলম, মৃত শফিউল আলমের ওয়ারিশদের মধ্যে জায়গা জমি, আর্থিক লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। তারই প্রেক্ষিতে হাফেজ ইব্রাহীম বাদী হয়ে চকরিয়া সিনিয়র ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সাধারণ ডায়েরী ও পেকুয়া থানা, সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ দায়ের করে। যা চলমান রয়েছে। এ সুযোগে মৃত শফিউল আলমের বসতঘর সোমবার মাগরিবের সময় কে বা কারা অথবা গ্যাসের চুলা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে আগুনের সুত্রপাত হলে মুহুর্তের মধ্যে সম্পূর্ণ পুঁড়ে ছাই হয়ে যায়। পেকুয়া ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ দিকে হাফেজ ইব্রাহীম জানান, আমার সাথে শাহ আলম ও শফিউল আলমের ওয়ারিশদের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। আমি সেনা ক্যাম্প ও পেকুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করি। শাহ আলম আমার নিকট থেকে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় ৮ লক্ষ টাকা হাওলাত নেয়। সে টাকা ফেরত চাইলে সে নানা ধরনের হুমকি ধমকি এবং বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করার পাঁয়তারা শুরু করে। এমনকি শাহ আলমের বাহিনী দিয়ে আমাকে নানা ভাবে হয়রানি ও হত্যার হুমকি দেয়। সর্বশেষ ঘটনার দিন তার বাহিনীর সদস্যরা আমিসহ আমার বড় ভাই বৃদ্ধ শামশুল আলমকে ব্যাপক মারধর করে আহত করে। আমি আহতদের নিয়ে চিকিৎসা ও থানায় অভিযোগ দেওয়া নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম এ ফাঁকে মাগরিবের নামাজের সময় আমার ভাই মৃত শফিউল আলমের বসতঘরে তারা পরিকল্পিতভাবে আগুন দিয়ে আমাকে উল্টো ঘর পুঁড়ানো মামলায় ফাঁসানোর পাঁয়তারা শুরু করে। তারা আমার বসতবাড়ির দরজা, জানালা, ভাংচুর করে ঘরের আলমিরায় রক্ষিত স্বর্ণ ও নগদ টাকা, মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। শাহ আলম ও তার বাহিনীরা আমার পরিবারকে জোরপূর্বক বসতঘর থেকে বের করে দিয়েছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। আমি এ বিষয়ে সুষ্টু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহ আলম জানান, আমি এ বিষয়ে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করছে। বরং শফিউল আলমের ওয়ারিশকে তাদের বসতবাড়ির জায়গা আমি কবলা দেওয়ার জন্য বললে আমার ভাই ইব্রাহীম পরিকল্পিত এ ঘটনা ঘটায়।
এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি (তদন্ত) দূর্জয় বিশ^াস জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি তদন্ত চলছে।পেকুয়ায় বসতবাড়ি পোঁড়া নিয়ে ধুম্রজাল, হামলায় আহত-৪
নিজস্ব প্রতিবেদক,পেকুয়া
কক্সবাজারের পেকুয়ায় বসতঘর পোঁড়া নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্কুল ছাত্রীসহ ৪ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১ জনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ২৩ ডিসেম্বর (সোমবার) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড পূর্ব সরকারীঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহতরা হলেন মৃত মৌলভী আমিরুজ্জামানের ছেলে শামশুল আলম (৭৫), ছোট ভাই হাফেজ ইব্রাহীম (৫২) ও তার স্ত্রী নুসরাত জাহান ডালিয়া (৪০), মেয়ে স্কুল ছাত্রী আনিছা জন্নাত প্রমি (১৪)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সুত্র জানায়, স্থানীয় মৃত মৌলভী আমিরুজ্জামানের পুত্র হাফেজ মো: ইব্রাহীম ও তার ভাই শাহ আলম, মৃত শফিউল আলমের ওয়ারিশদের মধ্যে জায়গা জমি, আর্থিক লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। তারই প্রেক্ষিতে হাফেজ ইব্রাহীম বাদী হয়ে চকরিয়া সিনিয়র ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সাধারণ ডায়েরী ও পেকুয়া থানা, সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ দায়ের করে। যা চলমান রয়েছে। এ সুযোগে মৃত শফিউল আলমের বসতঘর সোমবার মাগরিবের সময় কে বা কারা অথবা গ্যাসের চুলা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে আগুনের সুত্রপাত হলে মুহুর্তের মধ্যে সম্পূর্ণ পুঁড়ে ছাই হয়ে যায়। পেকুয়া ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ দিকে হাফেজ ইব্রাহীম জানান, আমার সাথে শাহ আলম ও শফিউল আলমের ওয়ারিশদের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। আমি সেনা ক্যাম্প ও পেকুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করি। শাহ আলম আমার নিকট থেকে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় ৮ লক্ষ টাকা হাওলাত নেয়। সে টাকা ফেরত চাইলে সে নানা ধরনের হুমকি ধমকি এবং বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করার পাঁয়তারা শুরু করে। এমনকি শাহ আলমের বাহিনী দিয়ে আমাকে নানা ভাবে হয়রানি ও হত্যার হুমকি দেয়। সর্বশেষ ঘটনার দিন তার বাহিনীর সদস্যরা আমিসহ আমার বড় ভাই বৃদ্ধ শামশুল আলমকে ব্যাপক মারধর করে আহত করে। আমি আহতদের নিয়ে চিকিৎসা ও থানায় অভিযোগ দেওয়া নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম এ ফাঁকে মাগরিবের নামাজের সময় আমার ভাই মৃত শফিউল আলমের বসতঘরে তারা পরিকল্পিতভাবে আগুন দিয়ে আমাকে উল্টো ঘর পুঁড়ানো মামলায় ফাঁসানোর পাঁয়তারা শুরু করে। তারা আমার বসতবাড়ির দরজা, জানালা, ভাংচুর করে ঘরের আলমিরায় রক্ষিত স্বর্ণ ও নগদ টাকা, মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। শাহ আলম ও তার বাহিনীরা আমার পরিবারকে জোরপূর্বক বসতঘর থেকে বের করে দিয়েছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। আমি এ বিষয়ে সুষ্টু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহ আলম জানান, আমি এ বিষয়ে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করছে। বরং শফিউল আলমের ওয়ারিশকে তাদের বসতবাড়ির জায়গা আমি কবলা দেওয়ার জন্য বললে আমার ভাই ইব্রাহীম পরিকল্পিত এ ঘটনা ঘটায়।
এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি (তদন্ত) দূর্জয় বিশ^াস জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি তদন্ত চলছে।
Leave a Reply