1. news@aponbanglanews.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
   
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বারবাকিয়ায় সংষ্কার কাজ চলছে কুতুব পাড়া ফৌজিয়া মসজিদে খুটাখালীতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে” বেগম খালেদা জিয়ার জন্য মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা মডেল মসজিদ মার্কেট মালিক সমিতির কমিটি গঠিত নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে পিস্তল-গুলিসহ দুইজন আটক চকরিয়ার মরহুম সাংবাদিক হান্নান শাহ’র পরিবারের পাশে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার কক্সবাজার-১ আসনে ধানের শীষ প্রার্থীকে সমর্থন করে গণঅধিকার পরিষদ প্রার্থীর প্রার্থীতা প্রত্যাহার ঘোষনা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণযোগ্য ভাবে আয়োজন সম্ভব: জাহিদুল ইসলাম মিয়া নাইক্ষ্যংছড়িতে অবৈধ করাতকলে অভিযান ৭মালিকে জরিমান নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে চোরাই পণ্যসহ দুইজন আটক পেকুয়ায় পাহাড় কেটে বালি উত্তোলন, নীরব প্রশাসন

কক্সবাজার সৈকতে ও রাস্তায় ভরা আবর্জনার স্তূপ, পর্যটকদের মাঝে অসন্তোষ

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১১৫ বার

বিজন কুমার বিশ্বাস:
পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে থাকা দেশের বৃহত্তম পর্যটন শহর কক্সবাজার কিন্তু অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে সৌন্দর্য হারাচ্ছে দিনদিন। যত্রতত্র আবর্জনার স্তূপ, সড়কের পাশের ময়লা এবং সমুদ্র সৈকতের ঝাউবনে জমে থাকা বর্জ্য শুধু পরিবেশকে দূষিত করছে না, পর্যটকদের জন্যও অসহনীয় হয়ে উঠছে।
বর্জ্য অপসারণে অবহেলা এবং নির্ধারিত স্থানের অভাব শহরের পরিবেশ এবং পর্যটন শিল্পের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং পর্যটকদের ক্ষোভ এবং উদ্বেগ এ সমস্যার গভীরতাকে স্পষ্ট করেছে।
সুগন্ধা বিচের দিকে যাওয়ার সময় সি ওয়ার্ল্ড হোটেলের সামনে নজরে আসে ময়লার স্তূপের। পর্যটকরা নাকে হাত দিয়ে পাশ কেটে চলে যাচ্ছে।
রবিবার ২৯ ডিসেম্বর দুপুর ১টায় সরজমিনে দেখা যায় যত্রতত্র পরে থাকা বর্জ্য অপসারণ করেননি পৌরসভার কর্মচারীরা। এদিকে সমুদ্র সৈকতের পাশে থাকা ঝাউবনেও জমেছে ময়লার বিশাল স্তূপ।
টানা তিন দিন কক্সবাজারের বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে আবর্জনার এই স্তূপ নজরে আসে।
সি ওয়ার্ল্ড হোটেলের পাশে দাঁড়িয়ে কথা হয় পর্যটক শরিফুল ইসলামের সঙ্গে।
বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের এই কর্মকর্তা বলেন, পর্যটন শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত। তিনি আরো বলেন এখানে পর্যটক ঘুরতে আসে একটু মানসিক প্রশান্তির জন্য আর এখানেই এঅবস্থা হলে টাকা খরচ করে এখানে আসার দরকার কি। অন্যান্য শহরের মতো পর্যটন শহরেও যদি আবর্জনার স্তূপ চোখের সামনে পড়ে তা কারো জন্যই ভালো বার্তা দেয় না। অবশ্যই সকাল হওয়ার আগেই শহরের বিভিন্ন স্থানের ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা উচিত। পাশাপাশি বর্জ্যের জন্য নির্ধারিত স্থান তৈরি করা উচিত।
সূত্র জানায়, কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে আবর্জনা ফেলা হয় শহরের নিকটবর্তী কস্তুরীঘাট এলাকায় খোলা আকাশের নিচে।
কস্তুরীঘাট এলাকায় বাঁকখালী নদীর ওপর গড়ে উঠেছে ৫৯৫ মিটার পিসি বক্স গার্ডার ব্রিজ, যা ওই এলাকায় পর্যটনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। ব্রিজের এক পাশে ময়লার স্তূপ, অন্য পাশে বেসরকারি মালিকানাধীন খেজুরবাগান, ফিশারিজ প্রজেক্ট, খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প, চৌফলদণ্ডী ব্রিজ এলাকায় কক্সবাজার বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রও রয়েছে।
ময়লার স্তূপের কারণে দর্শনীয় স্থানগুলোতে পর্যটকের দেখা মেলে না। কস্তুরীঘাট এলাকার দৃষ্টিনন্দন বদর মোকাম জামে মসজিদ এলাকায় যেতে পারে না পর্যটকরা।
কস্তুরীঘাট এলাকার এন্ডারসন রোডে তাছনিম হোটেলের সামনে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা হানিফের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘পুরো কক্সবাজারের বর্জ্য কস্তুরীঘাটের ময়লার ডিপোতে ফেলা হয়। এ কারণে এই এলাকায় সব সময় দুর্গন্ধ থাকে। স্থানীয় লোকজনের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে। উন্নত বিশ্বের মতো দ্রুত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা উচিত। নতুবা পর্যটন শহর একদিন ময়লার স্তূপে পরিণত হবে। মুখ ফিরিয়ে নিবে আগত পর্যটকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
©Apon Bangla News 2025, All rights reserved.
Design by Raytahost