জাহাঙ্গীর আলম কাজল,নাইক্ষংছড়ি,(বান্দরবান) প্রতিনিধি:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য হাফেজ এরশাদের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও মারধরের অভিযোগে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মামলা দায়ের করেছে তাঁর পরিবার ।
সন্ত্রাসীরা হলেন ১/ রফিক আলম (২৮) ২/উসাম (২৪) ৩/ রুবেল (২৬) সর্বপিতা: জাফর আলম সর্ব মাতা: রোকেয়া বেগম। সর্বসাং মরিচ্যা পালং থানা: উখিয়া। জেলা :কক্সবাজার সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন।
রোববার (১৯ জানুয়ারি) সকালে এ মামলা দায়ের করেন সমন্বয়ক মো: এরশাদের বড় ভাই মুহাম্মদুল্লাহ। তাদের পিতার নাম মোহাম্মদ নেছার আহমদ।
মামলার এজাহারে দাবি করা হয়েছে, শনিবার বেলা আড়াইটায় সমন্বয়কের পৈত্রিক বাড়ি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা দোছড়ি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের হাজির মাঠ এলাকার বসতঘরে হঠাৎ অতর্কিতভাবে বাহিরাগত সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। বাড়ির লোকজন এতে বাধা দিলে তাদের উপরও হামলা চালানো হয়। এরই মধ্যে পুলিশ খবর পেয়ে ৭ কিলোমিটার দুর থেকে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে।
সূত্র আরো জানান,শনিবার হামলার অভিযোগে শনিবার রাত সাড়ে ৮ টায় নাইক্ষ্যংছড়ি ও রামু উপজেলা জাতীয় নাগরিক কমিটি তৎক্ষনাৎ নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পরিষদের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশেন করে। প্রতিবাদ মিছিলটি নাগরিক কমিটির নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন রাব্বির নেতৃত্বে উপজেলা গেইট থেকে শুরু করে থানা চত্বরে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসরুরুল হকের সাথে দেখা করে অভিযোগ দেন তারা । এ সময় প্রতিবাদ মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা জাতীয় নাগরিক কমিটি সাধারণ সম্পাদক আকিল হোসেন, রামু উপজেলা জাতীয় নাগরিক কমিটি সাধারণ সম্পাদক এসএম নজরুল ইসলাম সহ নেতৃবৃন্দ।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি জমিজমা সংক্রান্ত। রাজনৈতিক নয়। বাদি -বিবাদী পরস্পর চাচা-ভাতিজা।
থানা পুলিশ জানায়, মামলায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আরও ৫ জনকে অজ্ঞাত নামা আসামী করা হয়েছে। এ মামলা নং-৯। তারিখ ১৯/১/২০২৫ ইং।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো:মাশরুরুল হক বলেন, আইনশৃঙ্খলা নষ্ট ও হামলা কোনটাই আইন সিদ্ধ না। এ ধরণের আচরণ গ্রহণযোগ্য না। আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
Leave a Reply