1. news@aponbanglanews.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
   
শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মুক্ত স্বাধীনভাবে আমরা আগামী সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রয়োগ করব: সালাহউদ্দিন আহমদ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় গেলে লবণের সর্বোচ্চ মূল্য নিশ্চিত করা হবে- সালাহ উদ্দিন আহমেদ পার্বত্য শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে নাইক্ষ্যংছড়িতে জেএসএসের র‌্যালি–সমাবেশ চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্স পরিদর্শনে নবাগত পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খাঁন লোহাগাড়ায় ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের চাকরিতে পূণর্বহলের দাবিতে মানববন্ধন কক্সবাজার জেলা গণঅধিকার পরিষদের নতুন কমিটি অনুমোদন দুই ছেলে সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধু: সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ব্লকেড, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ চট্টগ্রামে যৌথ অভিযানে ২২ রোহিঙ্গা নাগরিক আটক সাতকানিয়া উপজেলায় একটি অসুস্থ পলাশ মেছো ঈগল উদ্ধার

ঘুমধুমে স্থল বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে- ড.এম.সাখাওয়াত হোসেন

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৯৭ বার

জাহাঙ্গীর আলম কাজল:নাইক্ষ্যংছড়ি
ঘুমধুম সীমান্ত থেকে:
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্ত সড়ক ও ঘুমধুমের স্থল বন্দর নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় ঘুমধুম সীমান্ত সড়ক ও স্থল বন্দরের সম্ভাব্য জায়গা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন, ড.এম. সাখাওয়াত হোসেন।তিনি বলেন,সীমান্ত সড়ক দেখেছি।স্থল বন্দর নির্মাণের জায়গা দেখেছি।এটি নিয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতের দিকে নজর রেখে দেখব, সেখানে একটা স্থল বন্দর করা যায় কি না। কারণ, আগামীতে মিয়ানমারে যাই থাকুক না কেন, আমাদের সঙ্গে রাখাইন রাজ্যের একটা সম্পর্ক আগে ছিল, এখনো আছে এবং থাকবে। রোহিঙ্গারা যেহেতু ওই এলাকার। কাজেই ওটাও দেখব, ভবিষ্যতের জন্য একটা পরিকল্পনা করে রাখব, যাতে ওখানে একটা স্থল বন্দর করা যায়।নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন,মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সাথে নৌ পথের চেয়ে স্থল পথ সুবিধাজনক।সেহেতো ঘুমধুমের এশিয়ান ট্রান্সরোডটি দু’দেশের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য সহজ।টেকনাফে আমাদের একটা বন্দর আছে মিয়ানমারের সঙ্গে, সে জায়গাটি দেখব,আপনারা জানেন মিয়ানমারের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কেনো হয়েছিল। ওখানে কিছু আমদানী হয়,মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের ঘটনায় বাণিজ্য পণ্য আমদানি কিছুটা হ্রাস পেয়েছিল,সেগুলো পরিস্থিতি সাপেক্ষে স্বাভাবিকতায় ফিরে আসবে। একই সঙ্গে ঘুমধুমে স্থল বন্দর নির্মাণের সম্ভাব্য জায়গায় স্থল বন্দর নির্মাণ বাস্তবায়নে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে।
যেটা আরাকান বা রাখাইনের সঙ্গে আমাদের সহজ ল্যান্ড কানেকশন। যেহেতু সেখানে রোহিঙ্গারা ওই এলাকার। কাজেই ওটাও দেখব, ভবিষ্যতের জন্য প্ল্যান করে রাখব, যাতে ওখানে একটা পোর্ট করা যায়।টেকনাফ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টেকনাফ বন্দরটা আমরা স্থলবন্দর বলি, আসলে এটা স্থলবন্দর না। এটা হয়তো নৌবন্দরে পরিণত হবে অথবা আন্তর্জাতিক কোনো বিষয় থাকলে দেখা যাবে, এটা চিপিএ’র (চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটি) অধীনে হতে পারে।
এ সময় বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান(অতিরিক্ত সচিব) মানজারুল মান্নান,
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবদুল্লাহ ইয়ামিন,কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে:কর্ণেল মো.ফারুক হোসেন খান সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা সাথে ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮  
©Apon Bangla News 2025, All rights reserved.
Design by Raytahost