চকরিয়া প্রতিনিধি:
চকরিয়া পৌরসভার আতব্বর পাড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নুরুল কবির নামে এক প্রতিবন্ধীর জমিতে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মনজুর আলমের বিরুদ্ধে।আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে মুখ খুলতে পারছেনা অসহায় পরিবার।
পৌরসভার পুকপুকুরিয়া ৯নং ওয়ার্ড ভুক্তভোগীর বসতঘর সংলগ্ন জমিতে বিগত কয়েকদিন ধরে এ স্থাপনা তৈরি করে যাচ্ছেন।এ নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়-পশ্চিম পুকপুকুরিয়া মৌজার বিএস ১৪৯২ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ৩৯৮ দাগের আন্দর ০,১১৩৩ একর জমিতে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করে।যার মামলা নং ৪২/২০১৫
১৪৪ধারা নোটিশ চকরিয়া পুলিশের টিম তাদের বাড়িতে এসে দিয়েছেন।এরপরে পুলিশের টিম ২,৩ বার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা ও কাজ বন্ধ রাখার কথা বললেও বিবাদী এলাকার মৃত গুরা মিয়ার ছেলে মনজুর আলম কাজ বন্ধ না রেখে বাড়ি নির্মাণ করে যাচ্ছে।
তারা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় আইনের সিদ্ধান্ত মানছেনা।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নুরুল কবির বলেন-বিগত ১৩, ১৪ বছর পূর্বে এলাকার কফিল উদ্দিনের কাছথেকে ১০০শত টাকার তিনটি নন জুটিসিয়াল ষ্ট্যাস্প মূলে লভ্যাংশের ভিত্তিতে বিশ হাজার টাকা নিয়েছিলেন।
উক্ত টাকা তাকে ফেরত দিলেও ষ্ট্যাস্প ফেরত দেয়নি।
এরপরে অনেকবার ষ্ট্যাস্প গুলো চাইতে গেলে সর্বশেষ হারিয়ে গেছে বলে তিনি বলেন।
বিগত ১৪ বছর পর আমার প্রতিপক্ষ মনজুর আলম কফিল উদ্দিনের কাছথেকে নিয়ে উক্ত ষ্ট্যাস্প মূলে টাকা নিয়েছি বলে পূরণ করে আমার পৈত্রিক জমি জোরপূর্বক দখল করছে।যা সত্যি নয়।তারা স্থানীয় বিচার সালিসে ওই ষ্ট্যাস্প উপস্থাপন করেনা।
সালিসে তার ষ্ট্যাস্পটি পূর্বের এবং হয়রানি করার জন্য নন জুটিসিয়াল ষ্ট্যাস্প পূরণ করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।
প্রতিবন্ধী কবির ষ্ট্যাস্প উদ্ধার সহ ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেন।
এলাকার মো:মামুন নামে এক যুবক জানায়-নন জুটিসিয়াল ষ্ট্যাস্প নিয়ে বিগত ৩ মাস পূর্বে তার কাছে এসেছিল এলাকার কফিল।ওই সময় তারা বলেছিল প্রতিবন্ধী নুরুল কবিরের কাছথেকে টাকা পাবে বলে পূরণ করে তাকে সাক্ষী থাকতে।যার বিনিময়ে তাকে কিছু টাকা দিবেন।
দেড় মাস পূর্বে একদিন রাতে এলাকার আলী হোসনের বাড়িতে আবারো সাক্ষীর প্রস্তাব দেন মনজুর।
১৩ বছর পূর্বের ষ্ট্যাস্প জানতে পেরে এবং প্রতিবন্ধী নুরুল কবির ক্ষতিগ্রস্ত হবে জেনে তিনি স্বাক্ষর করেনি।
উক্ত প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।
জানতে চাইলে মনজুর আলমের ছেলে মনিরুল ইসলাম দাবি করেন তারা ১৪৪ ধারার নোটিশ পেয়েছেন এবং পুলিশ এসে কাজ না করার জন্য বলছেন।
চকরিয়া থানার ওসি তদন্ত মো: ইয়াছিন মিয়া বলেন, আদালতে নির্দেশ বাস্তবায়ন করা হবে।কেউ যদি তা অমান্য করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply