স্টাফ রিপোর্টার:
চকরিয়া পৌরশহরের সবুজবাগ এলাকায় আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে কোটি টাকার জমি জবরদখলে নিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ করছে একটি প্রভাবশালী ভূমিদস্যূ চক্র। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যে কোন মুহুর্তে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিয়েছে।
চকরিয়া পৌরসভার ২নম্বর ওয়ার্ডের শমসের মুবিনপাড়ার বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে সাঈয়েদ সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, পৌরশহরের সবুজবাগ এলাকায়
চিরিঙ্গা মৌজার ১০শতক নালিশী ও অনলাশি জমি নুরুল ইসলাম, আবদুল খালেক ও জয়গুন বিবি গং
এর রায়তী স্বত্বীয় জমি হয়। সেই অনুযায়ি তাদের নামে বি.এস ৭০নং খতিয়ান চূড়ান্ত প্রচার আছে। আমার বি.এস ৭০নং খতিয়ানে / ১১। ৭ আনা অংশে ০.১৩৩৩ একর জমি ও বিগত ১৯৭৫ সালে ১৪ জুলাই
২৮৫৩ নং কবলামূলে বি.এস রায়ত আব্দুল খালেক থেকে ০.১০ একর জমি
ক্রয় করেন এবং বি.এস রেকর্ডীয় মালিক মা জয়গুন বিবি হতে ০.০০৪২ একর জমি কিচমত সূত্রে
প্রাপ্ত হন। সেই অনযায়ি আমার পিতা মোট ০.২৩৭৫ একর জমি প্রাপ্ত হইয়া স্বত্ববান ও ভোগ দখলকার থাকাবস্থায় বিগত ২০০৮সালের ১০ আগস্ট ৪২৫৯নং রেজি: কবলামূলে ০.১০ একর জমি মোজাম্মেল
হক গংকে বিক্রি করেন। অবশিষ্ট ০.১৩৭৫ একর জমিতে ভোগ দখলে করে আসছেন। পরবর্তীতে আমি বি.এস ৭০নং খতিয়ানের বি.এস ৬৩নং দাগের আন্দর ০.১৭ একর
জমি নিয়ে নিজ নিজ নামে পৃথক নামজারী ৮১১নং খতিয়ান সৃজনপূর্বক ভোগ দখলে থাকাবস্থায় আমার
পিতা মৃত্যুবরণ করলে, তপশীলোক্ত জমি আমিসহ আমার অপরাপর ভাই-বোন ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে
শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখলে আছি। কিন্তু উপজেলার পশ্চিম বড়ভেওলা মকবুলাবাদ গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে মমতাজউদ্দিন আকতারের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী ভূমিদস্যূ চক্র ওই জমি জবরদখলের চেষ্টা করে আসছে।
সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, গত ২৮ এপ্রিল সকাল ৯টায় মমতাজউদ্দিন আকতার কামালের নেতৃত্বে একদল স্বশস্ত্র ভূমিদস্যূ চক্র হামলা চালিয়ে আমার ওয়ারিশী সম্পত্তি হতে ১০কড়া জমি
জবর-দখল করে এবং তথায় পাকা স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেছে।
সিরাজুর ইসলামের ছেলে নাছিরউদ্দিন বলেন, ভূমিদস্যূদের বাধা দিতে গেলে স্বশস্ত্রে হত্যার হুমকী দেয় বর্তমানে তারা কাজ চালাচ্ছে। আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ থাকলেও তারা মানছেনা। অন্যদিকে পুলিশকে আইন-শৃঙ্খলা দেখবাল করার আদেশ দেয়া হলেও পুলিশ তাতে সাড়া দিচ্ছেনা। নাছির বলেন-আমরা নিরুপায়, আমরা আইন প্রয়োগকারি সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
Leave a Reply