জিয়াউল হক জিয়া:
চকরিয়া উপজেলার এরিয়াজুড়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুইপাশে বেশ কিছু স্হানে অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে বালুর স্তুপ। যেকারণে শুষ্ক মৌসুমে বাতাসে উড়ে বেড়ায় বালুর কণা।ফলে স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা,নুরানী,কিন্ডারগার্ডেনে পড়ুয়া কঁচি শিক্ষার্থী সহ বৃদ্ধ,প্রসুতি,সাধারণ পথচারীদের চলাচলের ক্রমান্বয়ে বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি সহ যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতার কারণে বাড়ছে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় র্দুঘটনার আশংকা। পূর্বেও এমন বালুর স্তুপ আর মহাসড়কে বালুভর্তি গাড়ী যত্রতত্রভাবে দাঁড়িয়ে থাকায় র্দুঘটনা সংঘটিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্হানীয়রা।
গত রোববার (২৫ আগষ্ট) দিনের বেলায় পেশাগত কাজে ঘুরপাকে উপজেলার হারবাং,ফাঁসিয়াখালী,ডুলাহাজারা ও খুটাখালী ইউনিয়নস্হ মহাসড়কের দুইপাশে কোথাও না কোথাও অবৈধ বালুর স্তুপ দেখা যায়।
স্হানীয়রা জানান-উপজেলার মহাসড়কের দুইপাশে কোথাও না কোথাও অবৈধ বালুর স্তুপ করে ব্যবসা করছেন প্রতিটি এলাকার আইন অমান্যকারী অসাধু বালুখেকো পাচারকারীরা।দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের নেতাকর্মী মিলে বালু খেকোরা দলীয় প্রভাব কাটিয়ে মানুষের ক্ষতি করে ব্যবসা করেছে।স্বৈরাচারী সরকার পতনের পরও থেমে নেই বালি পাচার।এখনো প্রতিটি এলাকায় বৃহৎ দুইটি দল সহ বালুখেকো মিলে অবৈধ বালু ব্যবসা চালিয়ে গেলেও,প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযানের মাধ্যমে বন্ধের কোন এ্যাকশন দেখা যাচ্ছেনা।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) চকরিয়া উপজেলার এক দায়িত্বশীল বলেন, “চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক সরু ও বাঁক বেশি বলে নিত্য নতুন দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে।এরপরও স্বার্থন্বেষী মানুষের অবৈধ বালু ব্যবসার কারণে শিক্ষার্থী সহ সাধারণ পথচারীর স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে।কারণ বাতাসে উড়ে-উড়ে শুকনা বালু চোখে,মুখে ডুকে দিন-দিন রোগাক্রান্ত হচ্ছে। আমরা আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করি।কেননা মহাসড়কে নাম্বার বিহীন বালু ডাম্পার গাড়ী আর ট্রাক গাড়ীও উপরে কিছু ডেকে না দিয়ে চলায়,বাতাসে বালু উড়ে বেড়ায়।এ কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে।এসব গাড়ীগুলো প্রশাসনের ভয় নিয়ে বেপরোয়া গতিতে চলার কারণে বেড়েছে মরণঘাতী র্দুঘটনা।
এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুপায়ন দেব বলেন,মহাসড়কের পাশে বালু রাখা অবৈধ,বেআইনী।উপজেলা প্রশাসন সাধ্যমত বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করা হয়।সবসময় উপজেলা প্রশাসন এসব দেখভাল করার সুযোগ সময় হয় না।তাই সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতাধিন হওয়ায়,সওজ বিভাগ সহযোগিতা চাইলে আইনগত সহযোগিতা দেওয়া হবে।এছাড়াও হাইওয়ে পুলিশের সোচ্চার হলে,হয়তো অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধ হবে মনে করছি।
কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রোকন উদ্দিন খালেদ চৌধুরী জানান,সওজ বিভাগ থেকে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ভাবে মৌখিক ও লিখিতভাবে সতর্ক করা হয়েছে।কিন্তু দলীয় প্রভাব কাটিয়ে তারা সরে যাচ্ছে না। তবুও বেআইনী এই বালু ব্যবসা বন্ধে শীঘ্রই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান তিনি।
Leave a Reply