চকরিয়া প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট বাস-ষ্টেশনস্হ বাজার পাড়ার অর্ধশত বছরের চলাচল পথ বন্ধ করে পাঁকা ওয়াল নিমার্ণের ফলে চরম জনর্দূভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গেলে দেখা যায়-মালুমঘাট মেমোরিয়াল হাসপাতাল গেইটের পূর্বপাশে আব্দু নবী মার্কেটের হাঁড়ভাঙ্গা চিকিৎসক রতন এর চেম্বার গা-ঘেঁষে যাওয়া বাজারপাড়ার চলাচল পথটির পূর্বের অংশে পাঁকা ওয়াল নিমার্ণ করে এখন দেড় হাতের পথ বানালো প্রভাবশালী আনোয়ার হোসেনগং।যেকারণে এই এলাকার বসবাসরত লোকজনের যাতায়াত করতে চরম র্দূভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী শফিউল আলম জানান-আমাদের মালুমঘাট বাজারপাড়ার অর্ধমত বছরের চলাচল পথটি প্রস্হ ছিল চার হাত।এখানে মৃত গোলাম ছোবহানের ছেলে আনোয়ার হোছন ও তাঁর ছেলে মানিক,স্ত্রী শাহানা বেগম এর পরিবার হঠাৎ এখানে জায়গা ক্রয় করে আ’লীগের প্রভাব কাটিয়ে চলাচল পথ দখল করে পাঁকা ওয়াল নিমার্ণ করেছে।ফলে স্বাভাবিক ভাবে হাঁটাচলাও দায়ী।এখন আমাদের স্কুল,মাদ্রাসা,কলেজে,নুরানীতে কাঁচি শিক্ষার্থী সহ বৃদ্ধ,প্রসূতি,রোগাক্রান্ত চলাচল পথ নিয়ে চরম র্দূভোগে।এরপরও কোন ব্যক্তি মারা গেলে খাটিয়া নিয়ে বের করা প্রশ্নেই উঠে না বিধায় নিজ ও জনস্বার্থে আমি ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের আগে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার,ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যান বরাবর পৃথক আবেদন করি।কিন্তু আ’লীগের দোসরদের থাবায় কোন পরিত্রাণ পায়নি।এখনো দখলবাজ আনোয়ার হোসেনের পক্ষে বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের কিছু নেতার কথা বলার প্রভাবে এখনো সুরহা মিলছে না।তাহলে কোথায় গেল অর্ধশত বছরের চলাচল পথ দখলবাজদের হাত থেকে ফিরে পাব বলে প্রশ্ন ছুঁটচ্ছেন?কারণ আমি পথ উদ্ধারের অভিযোগ করাতে আমি সহ আমার পরিবারের সদস্যদের ওপর যেকোন হামলা করবে বলে আনোয়ার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।
স্হানীয়রা জানান-আনোয়ার হোছন পেশায় একজন সিএনজি চালক তাঁর হাসপাতালের সামান্য একজন ক্লিনার।যদিও আমাদের বসবাসরত জায়গাগুলো বনবিভাগের জায়গা।তবুও বাজার কেন্দ্রীক বলে দামী জায়গা।তাঁরা এত টাকা দিয়ে জায়গা কিনে পাঁকা সীমানা প্রাচীর সহ পাঁকা ঘর করার সামর্থ কিভাবে হলো জানি না।তারা কিন্তু আ’লীগের লোক।এখন আবার ভিন্ন দলের লোকদেরকে টাকা দিয়ে তার বলি হিসাবে কথা বলাচ্ছেন।
এবিষয়ে ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব প্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন শিপু বলেন-জনগণের চলাচল পথ দখল করে সীমানা প্রাচীর করা অভিযোগ পেয়ে,আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত আনোয়ারকে পথ ছেড়ে দেওয়ার নিদের্শ দিয়েছি।কিন্তু দখলদার এখনো পথ ছাড়েনি।বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানিয়ে পথ উদ্ধারে ব্যবস্হা নিতে হবে।
Leave a Reply