মোহাম্মদ কানন:
প্রায় ২৫ বছর ধরে বিএনপি’র রাজনীতি করে আসা এক ব্যক্তিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের মিছিলে আওয়ামী লীগের হামলা ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামী করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে চরম অসন্তুষ দেখা দিয়েছে।
চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও একই ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান ওয়ার্ড তমিটির আহবায়ক সাহাবউদ্দিন। তিনি দীর্ঘ ২৫বছর ধরে বিএনপির রাজনীতি করে আসছেন। পথিমধ্যে কিছুদিন দেশের বাইরে ছিলেন তিনি। সাহাবউদ্দিন বলেন-কিছু দিন পর এলাকায় স্থানীয় একব্যক্তির সাথে সামান্য বিষয় নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলা হলে আমাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কিন্তু চালান দেওয়ার সময় জানতে পারি আমাকে দুটি মামলায় চালান দিয়েছেন পুলিশ। পরে জানতে পারি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব সালাহউদ্দিন আহমদের সংবর্ধনা সভা থেকে ফেরার সময় সাহারবিলের কোরালখালীতে আওয়ামী লীগের লোকজন বিএনপির নেতাকর্মীর হামলা করে। এতে মামলা হয়। ওই মামলায় আমাকে চালান দেওয়া হয়। ওই মামলার এফআইআর দেখে জানাযায়, এফআইআর-এ সাহাবউদ্দিনের নাম নেই, কিন্তু নিজ এলাকায় মারামারি ঘটনায় জনৈক গিয়াসউদ্দিন বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারের সুযোগে ওই মামলায়ও চালান দেয় পুলিশ। তবে সাহাবউদ্দিন দাবী করেন, স্থানীয় বিএনপির দুই নেতার তার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা চেয়েছিলেন, না পেয়ে তার সাথে রাজনৈতিক শত্রুতা করেছে।
সাহাবউদ্দিন বলেন, ৫ আগস্টের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব উদ্দিন আহমদের সম্বর্ধনা সভায় আমি লোকজন নিয়ে অংশ গ্রহন করি। এরপর কৈয়ারবিল ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি ভেঙ্গে দেওয়া হলে আমাকে তিন নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক করা হয়। আমি বিগত ২৫ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত, স্থানীয় প্রবীন বিএনপি নেতা মরহুম আবুল খায়ের সভাপতি হলে সেই কমিটির আমি সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। আমার দুই ছেলে সহ পরিবারের সবাই বিএনপি। অথচ আমাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানী করতে স্থানীয় বিএনপির দুই নেতা একাজ করেছে। তিনি এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব সালাহউদ্দিন আহমদের হস্তক্ষেপ চান এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানাচ্ছি।
Leave a Reply