দেলোয়ার হোসেন রশিদী:
“বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় মুসলমানদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। একে অপরের বিরুদ্ধে বিরোধিতা না করে কালেমার তলে উম্মতে মোহাম্মদীকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দল আলাদা হতে পারে, পীর আলাদা হতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় প্রয়োজনে রাজপথের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা সবাই এক ও অভিন্ন। সুযোগ বারবার আসে না, আসে যুগে যুগে। স্বাধীনতার পর ২০২৫ সাল উম্মতে মোহাম্মদীর জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। আজ আকাশে নতুন সূর্য উদিত হয়েছে, সে সূর্যের তেজদীপ্তিতে আমরা গড়বো নতুন বাংলাদেশ-একটি ইসলামের বাংলাদেশ।”
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতির শাহ মনজিলে ১৯ দিনব্যাপী ৫৫তম ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক মাহফিলে সীরাতুন্নবী (সঃ)-এর ১৬তম দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “এক ফুল দিয়ে বসন্ত আসে না, আসে গোটা বাগানে। তেমনি একা কারও দ্বারা কিছু সম্ভব নয়, বৈচিত্র্যের মাঝে প্রয়োজন ঐক্য। আমরা চাই বাংলাদেশকে সাজাতে খোলাফায়ে রাশেদীনের আলোকে, রাসুলুল্লাহ (সঃ)-এর সীরাতের আলোকে, বৈষম্যহীন ও জুলুমবিহীন রাষ্ট্র হিসেবে। যেখানে মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।”
মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা বদিউল আলম জিহাদী।
প্রসঙ্গত, শাহ হাফেজ আহমদ (শাহ সাহেব কেবলা) ১৯৭২ সালে চুনতীতে এই ঐতিহাসিক মাহফিলের গোড়াপত্তন করেন। রাসুল (সাঃ)-এর জীবনী ও কোরআনের শিক্ষা প্রচারের উদ্দেশ্যে শুরু হওয়া এ মাহফিলটি এখন আন্তর্জাতিক পরিসরে সমাদৃত। প্রতিবছরের মতো এ বছরও ৪ সেপ্টেম্বর থেকে মাহফিল শুরু হয়ে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে। মাহফিলে দেশ-বিদেশের প্রায় শতাধিক বিশিষ্ট আলেমে কেরাম অংশগ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন মাহফিলের প্রেস ও মিডিয়া দায়িত্বপ্রাপ্ত শাহজাদা তৈয়বুল হক বেদার।
Leave a Reply