1. news@aponbanglanews.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
   
শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মুক্ত স্বাধীনভাবে আমরা আগামী সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রয়োগ করব: সালাহউদ্দিন আহমদ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় গেলে লবণের সর্বোচ্চ মূল্য নিশ্চিত করা হবে- সালাহ উদ্দিন আহমেদ পার্বত্য শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে নাইক্ষ্যংছড়িতে জেএসএসের র‌্যালি–সমাবেশ চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্স পরিদর্শনে নবাগত পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খাঁন লোহাগাড়ায় ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের চাকরিতে পূণর্বহলের দাবিতে মানববন্ধন কক্সবাজার জেলা গণঅধিকার পরিষদের নতুন কমিটি অনুমোদন দুই ছেলে সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধু: সন্ধানদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ব্লকেড, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ চট্টগ্রামে যৌথ অভিযানে ২২ রোহিঙ্গা নাগরিক আটক সাতকানিয়া উপজেলায় একটি অসুস্থ পলাশ মেছো ঈগল উদ্ধার

সমুদ্র এখন জলদস্যুর দখলে, জানমাল নিয়ে আতঙ্কে জেলেরা

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৭১ বার

মোহাম্মদ কানন:
সাম্প্রতিক সময়ে বঙ্গোপসাগরে বেড়েছে জলদস্যুদের তাণ্ডব। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও মাছ ধরার ট্রলার জলদস্যুদের কবলে পড়ছে। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

প্রতিবছর কত জেলে ডাকাতি, গুম, খুন, হামলা ও অপহরণের শিকার হন—তার নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান না থাকলেও, দস্যুদের হাত থেকে বেঁচে ফেরা জেলেদের ভাষ্যমতে প্রতিবছর কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার জেলে এসব ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় জেলেরা জানান, জীবিকার তাগিদে তারা সমুদ্রে মাছ ধরতে যান। সমুদ্রে যাওয়ার সময় দেড় থেকে দুই লাখ টাকার বরফ, জ্বালানি, চাল-ডাল, তেল এবং তিন থেকে চার লাখ টাকার জালসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী সঙ্গে নিতে হয়। মাছের প্রাচুর্য অনুযায়ী তারা ৬–১২ দিন পর্যন্ত সাগরে অবস্থান করেন। এ সময় ঝড়-তুফান ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি জলদস্যুর তাণ্ডবও মোকাবিলা করতে হয় তাদের।

অভিযোগ রয়েছে, প্রায়শই মাছ ধরার ট্রলার থামিয়ে অস্ত্রের মুখে জেলেদের জিম্মি করছে দস্যুরা। তারা জাল, মালামাল ও ধরা মাছ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাছ বা মালামাল না পেলে জেলেদের মারধর, খুন কিংবা অপহরণ করা হচ্ছে। ট্রলারে থাকা মাঝি ও চালককে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করার ঘটনাও ঘটছে। মুক্তিপণ না দিলে তাদের হত্যা করা হয়। আবার অনেক সময় জেলেদের হত্যা করে নদীতে ফেলে দিয়ে ট্রলার নিয়ে চলে যায় দস্যুরা।

ডাকাতের কবল থেকে ফিরে আসা একাধিক জেলে জানিয়েছেন, দিনের বেলায় দস্যুরা সাধারণ জেলের ছদ্মবেশে এসে তথ্য সংগ্রহ করে। তবে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের উপস্থিতির কারণে দিনে তারা সক্রিয় হতে পারে না। রাত ঘনালেই দস্যুরা আক্রমণ চালায়। আগে মাঝে মাঝে এমন ঘটনা শোনা গেলেও সম্প্রতি ইলিশের মৌসুম চলছে, ইলিশের বাজার মূল্য চওড়া হওয়ায় লোভী দস্যুদের তৎপরতা এখন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এখন সমুদ্রে গেলে কখন যে জলদস্যুর কবলে পড়তে হবে, তা নিয়ে জেলেদের মধ্যে সবসময় আতঙ্ক বিরাজ করছে। অভিজ্ঞ ও প্রবীণ জেলেরাও জীবনের ভয়ে সমুদ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন।

অন্যদিকে, জেলেদের পরিবারও তাদের প্রিয়জনের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে। প্রতিদিনই তারা প্রহর গুনছেন ট্রলার ফেরার অপেক্ষায়, অথচ জলদস্যুর কবলে পড়ার আশঙ্কা তাদের তাড়া করে ফিরছে।

জেলেদের দাবি, জীবিকার প্রয়োজনে তারা বাধ্য হয়ে সমুদ্রে নামেন। কিন্তু জলদস্যুর ভয়ে তাদের জীবন ও জীবিকা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় তারা দিনে ও রাতে সমুদ্রে নৌবাহিনী মোতায়েন এবং জলদস্যু দমনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

©Apon Bangla News 2025, All rights reserved.
Design by Raytahost