জিয়াউল হক জিয়া:
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হাতে গড়া গণতান্ত্রিক রক্ষার সংগঠন বিএনপিকে আপনারা বা এদেশের জনগণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী দিন ধানের শীর্ষ প্রতীকে ভোট দিয়ে রাষ্টীয় ক্ষমতায় নিয়ে যান,যাই,তাহলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন।বিএনপি সেই শহীদের স্বপ্ন ব্যথা যেত দিবেনা,দেবনা।শহীদের সম্মানে রাষ্টীয় সংবিধানে সংশোধনি এনে,স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবেন।
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে এদেশের নাগরিকের ভাগ্য বদলের নির্বাচন।এই নির্বাচনে আমাকে তথা ধানের শীর্ষকে বিপুল ভোটে বিজয় করলে,রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার মসনদে আমাদের নেতা তারুণ্যের প্রতীক তারেকুর রহমান (তাকের জিয়া) বা বিএনপি গেলে,ধরে নিবেন আমি ও আমারা দল ফ্যাসিবাদী সরকার যেন এদেশে আসতে না পারে,সেই পথ বন্ধ করে দিব।আ’লীগ সরকার উন্নয়নের নামে করে,এদেশের আটারো মানুষের ভবিষ্যতে অন্ধত্বের কাজ করে,গণতন্ত্রের এই দেশকে পরাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল,দেশের ব্যাংকিং খাত ধস নেমিয়েছিল,রাষ্ট্রীয় অর্থনীতিকে পঙ্গুত্ব বানিয়েছিল,উন্নয়নের নামে বিদেশে ২৯লক্ষের অধিক টাকা বিদেশে পাচার করেছিল,ধর্মীয় স্বাধীনতার খর্ব করেছিল,দেশের জনগণকে জিম্মিশালায় বন্দি রেখেছিল,স্বাধীনভাবে চলাফেরায় বাঁধাগ্রস্ত করেছিল,আমার মত বিএনপির হাজার,লক্ষ নেতা খুন,ঘুমে শিকার হয়েছে,সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর মামলা,হামলা,নির্যাতন,নিপীড়ন চালিয়েছিল,দেশের নিরীহ মানুষের সম্পদ লুন্ঠন করেছিল,এক কথায় দেশের অর্থহাতকে বা দেশকে দেউলিয়া বানিয়ে তলাবিহীন ঝুঁড়ি মত বাংলাদেশের সকল সেক্টরে র্দূনীতি,সারাদেশে লুটপাট,রাহাজানি,হানাহানি সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল,সেই ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের আন্দোলনকারী স্বপ্ন,এদেশের ধর্ম,বর্ণ,নির্বিশেষ সকল পেশাজীবি মানুষ আর ধর্মাবলম্বীর গণতান্ত্রিক সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর দল হলো বিএনপি।গণতন্ত্র রক্ষার দল বিএনপি,উন্নয়ন সমৃদ্ধিশালীর দল বিএনপি,গণতন্ত্রানিক অধিকার রক্ষার একমাত্র দল বিএনপি।
বিএনপিকে ক্ষমতায় গেলে কৃষি কার্ড,স্বাস্থ্য সেবার কার্ড প্রদান করবেন।শিক্ষাখাতে আমূল পরিবর্তন করবে,ষষ্ঠ থেকে ইন্টার পর্যন্ত বাধ্যতামূলক কারিগরি বিকল্প ব্যবস্হা করবে,এদেশের অবহেলিত সেক্টর খতিব, ইমান,মুয়াজ্জিন সম্মানিভাতা চলু করবেন।পাহাড়ি ও বাঙালি সমঅধিকার নিশ্চিত করবেন।মনে রাখবেন বিএনপি গণতন্ত্রের রক্ষাকচব দল,যে দল ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাস,অবরুদ্ধ গণতন্ত্র মুক্তিকামী দল,স্বাধীন চেতনার বিশ্বাসী দল হলো বিএনপি।চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেন হবে,কক্সবাজারবাসীর একমাত্র উপার্জনের লবণ ও চিংড়ীর ন্যায্য মুল্য নিশ্চিত করা হবে। এমন কি চকরিয়া-পেকুয়ার গ্রামেগঞ্জের অবহেলিত সড়ককে সংস্কার বা রাষ্ট্রীকে সংস্কার করার জন্য আপনাদের অফুরন্ত দোয়াই,মহান আল্লাহর দয়ায় হয়তো আমি গুম থেকে খুন না হয়ে আপনারদের মাঝে ফিরে এসেছি।সুতরাং আপনার আপনাদের মূল্যবান ভোট আমাকে বা ধানের শীর্ষে দিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করবেন এই আশা,বিশ্বাস,ভালোবাসা পাবো।
খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত (২৬ জানুয়ারী) বিকেল ৩টায় নির্বাচনী জনসভায় ৩৩মিনিটের দেওয়া ভাষণের অসংখ্য কথার মধ্যে এসব কথা বলেছেন,কক্সবাজার-১,(চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের বিএনপির মনোনিত ধানের শীর্ষের প্রার্থী এবং বিএনপির স্হায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগপ্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
নির্বাচনী জনসভাটি ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ছৈয়দ আলম এর সভাপতিত্বে,সদস্য সচিব আকতার কামাল এর সঞ্চালনায়,বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহবায়কগণ,উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক চৌধুরী,সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী,জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী খোকন মিয়া সহ অসংখ্য নেতা-কর্মীরা।এতে উপজেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দ,ইউনিয়ন বিএনপি,যুবদল,স্বেচ্ছাসেবকদল,শ্রমিকদল,কৃষকদল,ওলামাদল,মহিলাদল,ছাত্রদলের ইউনিয়ন,ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মী সহ জিয়া পরিবার,ধানের শীর্ষ তথা প্রিয়নেতা সালাহউদ্দিন ভক্ত এলাকার সকল পেশাজীবি মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও খুটাখালীর সালাহউদ্দিন আহমেদের নির্বাচনী জনসভাটি স্বাধীনতার ৫৫ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে জনস্রোতে পরিণত হয়েছে।
Leave a Reply