স্টাফ রিপোর্টার : অপরাধ দমনের দিক থেকে কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ট থানা নির্বাচিত হয়েছে টেকনাফ থানা। অপরাধ দমনে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হন একই থানার মুহাম্মদ ওসমান গনি, বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ পরিদর্শক (তদন্ত) নির্বাচিত হন মো.আমজাদ হোসেন, শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার নির্বাচিত হন এস আই মোজাহারুল ইসলাম ও এএসআই মো. তাহের চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং ওয়ারেন্ট তামিলসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে সফলতা পাওয়ায় এসব অফিসারকে সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়। কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজুল ইসলাম (পিপিএম বার) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রফিকুল ইসলাম এই ক্রেস্ট তুলে দিয়ে সম্মাননা প্রদান করেন। জানা গেছে, টেকনাফ মডেল থানায় মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিল, মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাফল্যজনক ভূমিকা রাখায় টেকনাফ থানা শ্রেষ্ঠ থানা,ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনিকে প্রথমবারের মত শ্রেষ্ঠ ‘অফিসার ইনচার্জ,পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমজাদ হোসেনকে প্রথমবারের মত শ্রেষ্ঠ তদন্ত এবং ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার এসআই মোজাহারুল ইসলাম ও এএসআই মো. তাহের চৌধুরীকে ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের এ সাফল্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজুল ইসলাম (পিপিএম বার) স্যারের দিক নির্দেশনায় এবং টেকনাফ মডেল থানার সকল পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। এ অর্জন আমাদের সামনের দিকে আগানোর পথে আরও বেশি অনুপ্রেরণা যোগাবে। এলাকার সব ধরণের অপরাধ নির্মূল করতে এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকলের সহযোগিতায় কামনা করেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, নয়টি থানার অফিসার ইনচার্জ,এপিবিএন, ট্যুরিস্ট ও সিআইডি পুলিশের প্রতিনিধিগণ এবং বিভিন্ন ইউনিট তেকে আগত অফিসার বৃন্দরা।
টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসমান গণি বলেন, টেকনাফ থানা একটি অপরাধপ্রবন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ছিল, বিশেষ করে মাদক পাচারের সীমান্ত এলাকা হিসেবে খ্যাত এই এলাকা। তিনি বলেন’ আমরা মাদক পাচার, মানবপাচার ও নাশকতা রোধে বদ্ধ পরিকর। মাদক পাচার ও মানব পাচারকারিদের কোনমতে ছাড় দেবোনা। তবে এই জন্য সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। অপরাধ দমনে নাগরিকেরও দায়িত্ব। পুলিশ জনগণের বন্ধু ও সেবক। জনগণের বন্ধু হিসেবে জনগণের জন্য যা যা করা প্রয়োজন পুলিশ তা-ই করবে।
Leave a Reply