তৌহিদুল ইসলাম কায়রু:
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতিতে বনবিভাগের পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ গোল ও জ্বালানি কাঠ সহ ৩ শ্রমিককে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে চুনতি অভয়ারণ্য বন বিভাগ।
চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বিট কর্মকর্তার অভিযানে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়। তবে, বনখেকো ও মাটি পাচারকারী চিহ্নিত গডফাদার আটক ও আইনের আওতায় না আসায় রহস্যজনক এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল।
চুনতি অভয়ারণ্য বিট অফিসার জানান, ৭ই এপ্রিল রবিবার মাগরিবের আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনতি ও আধুনগরের সরকারি বনভূমিতে আমাদের নিয়ন্ত্রিত জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কাটার সময় গাছ কাটার সরঞ্জামসহ আটক করি। পরে, উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নির্দেশক্রমে পরেরদিন মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। আটককৃতরা হলেন, চুনতি সুফি নগরের হাছানের ছেলে সেলিম, আবদুল আলীমের ছেলে জাহেদ ও টেকনাফের আবদু শুক্কুরের ছেলে মোহাম্মদ আলী।
তিনি আরো জানান, আটককৃত সবাই দিনমজুর শ্রমিক। গাছ ব্যাপারিরা অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে গেছে।
আটককৃত শ্রমিকরা জানান, আমরা পেটের দায়ে চুনতি সুফি নগরের গাছ ব্যাপারি ছৈয়দ নুর নামের ব্যাক্তির অধিনে দিনমজুরের কাজ করছি।
সম্প্রতি রমজানের শুরু থেকেই আঁধার নামলেই বন ও মাটি খেকোদের নিয়ন্ত্রণে চলে পুরো এলাকা। দলীয় পরিচয়ে সিন্ডিকেট করে সংসদ সদস্য এম.এ মোতালেব সিআইপি’র সাথে সেলফি দিয়ে সাধারণ জনমনে ভয়ভীতি দেখিয়ে অবৈধ ভাবে মাটি ও কাঠ পাচার করে আসছে।
আধুনগরের রশিদের ঘোনা, কুলপাগলি, রড়হাতিয়া, চুনতির পুটিবিলা, কলাউজানে সরকারি বনভূমিতে ধ্বংসাত্মক তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে এই সিন্ডিকেট। পরিবেশ ও বন রক্ষায় এদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবি জানান সচেতন ও সাধারণ জনগণ।
Leave a Reply