নিজস্ব প্রতিবেদক,পেকুয়া:
পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের নন্দীরপাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষের বসতভিটার জায়গা জবর দখল চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় সীমানা ভাংচুর করা হয়েছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯ টার দিকে এঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ওই এলাকার মেহেরনামা মৌজার বিএস খতিয়ান নং ৫৬৮, বিএস দাগ নং-১০০৫৪, নামজারী খতিয়ান বিএস খতিয়ান নং-৪২০৫, ৩৮৪২, দাগং ১০০৫৪ এর .০৩৩২১ শতক জমি নিয়ে মৃত মোজাফ্ফর আহমদের পুত্র মো: নাছির উদ্দিন ও মৃত ছগির আহমদের পুত্র জসিম উদ্দিন প্রকাশ ডালিয়া, তার পুত্র লোকমান গংদের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। প্রতিকার চেয়ে মো: নাছির উদ্দিন বাদী হয়ে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি.আর মামলা নং ২২০৬ রুজু করে। ওই মামলাটি কক্সবাজার ডিবি পুলিশকে তদন্তভার অর্পণ করা হয়। বাদী নাছির উদ্দিন উক্ত জমি ক্রয় করে ভোগ দখল করে বাঁশের বেড়া ও টিনের ছাউনিযুক্ত ২ টি ও ১ টি ছনের ছাউনিযুক্ত বসতঘর নির্মাণ করে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের ফলদও বনজ চারা রোপণ করে বসতবাড়ির তিন পাশে কাটাতারের বেড়া ও একপাশে বেড়া দিয়ে শান্তিপূর্ণ ভোগ দখলে ছিল। এ দিকে বিবাদীগণ ওই বসতবাড়ির জায়গা জবর দখলের জন্য নানা ধরনের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল। ওই দিন বিবাদী জসিম উদ্দিন প্রকাশ ডালিয়া, তার পুত্র লোকমান, জসিম উদ্দিন প্রকাশ গুরা মিয়া গং জোরপূর্বক বাঁশের বেড়া কেটে ফেলে ও কাটাতারের বেড়া উপড়িয়ে ফেলে। এ সময় বাদীগণ বাধা প্রদান করলে মো: শওকতুল ইসলামের স্ত্রী ছালেহা বেগমকে কিল,ঘুসি মেরে মাটিতে ফেলে দেয় এবং পরনের কোপড় ছোপড় টানা হ্যাচড়া করে শ্লীলতাহানি করে। বিবাদীগণ ২০ ফুট প্রস্থ ৭০ ফুট লম্বা বড় বড় গাছসহ বসতভিটার জমি জোরপূর্বক দখলে নেন। মামলার স্বাক্ষী শওকতুল ইসলাম জানান, তারা আমাদের নিকট থেকে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করছে। উক্ত দাবীকৃত চাঁদা না দিলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেন। তারা স্বৈরাচার আ’লীগ সরকার আমলে নিরীহ ও অসহায় মানুষের জায়গা জবর দখল করে। আ’লীগের দোসর জসিম উদ্দিন প্রকাশ গুরা মিয়া স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে খ্যাত বর্তমানেও এ ভাবে অসহায় মানুষকে নির্যাতন ও অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে বিবাদীগণ উক্ত জায়গা জোরপূর্বক দখলে নিয়ে প্রকাশ্যে নিজেদের দাবী করায় ভূমিঅপরাধ ও প্রতিকার আইনে ২০১৩ ধারা মোতাবেক মামলা রুজু করা হয়। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
Leave a Reply