সাইফুল ইসলাম সাইফ:
চকরিয়া পৌরসভার পুকপুকুরিয়া ক্লাব বাজার এলাকার ফরিদুর ইসলাম নামে এক ব্যক্তির জমি বিক্রয় ও হাওলাতী টাকাসহ সাত লাখ ৯০ হাজার টাকা না দিয়ে উল্টো চাঁদাবাজি মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার কাকারা এস,এম চর এলাকার মৃত আহমদ হোছনের পুত্র হাফেজ মুহিব উল্লাহ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ওই ফরিদের বিরুদ্ধে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে দায়েরকৃত মামলাটি তদন্তধীন রয়েছে। হায়রানির শিকার ফরিদুল ইসলাম পৌরসভা পুকপুকুরিয়া ৯নং ওয়ার্ড এলাকার মৃত নরুল কবিরের ছেলে।ভুক্তভোগী ফরিদ জানায়-কাকারার হাফেজ মুহিব উল্লাহকে ২৫ কড়া জমি ১৮ লাখ টাকা নির্ধারণ করে বিক্রি করি তন্ধ্যেম ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেন। বাকি ৩ লাখ নব্বই হাজার টাকার চেক দেন। ওই চেক নিয়ে ব্যাংকএ গেলে একাউন্টে কোন টাকা নেই বলে জানায় ব্যাংক কর্তা। গত দুই বছর ধরে আমার পাওনা টাকা গুলো দিচ্ছেনা। টাকা চাওয়ায় উল্টো কোর্টে ২লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছি বলে মিথ্যা মামলা করেছেন। নানা হুমকি দিচ্ছে। ফরিদ আরো দাবি করেন মুহিব একজন চিহ্নিত প্রতারক। এ প্রতারকের কাছ থেকে মোট পাওনা ৭ লাখ নব্বই হাজার টাকা উদ্ধারের সকলের আন্তরিক সহযোগীতা চান তিনি। সে আমার টাকাও দিচ্ছেনা আমার জমিও ফেরত দিচ্ছেনা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মুহিব উল্লাহ দাবী করেন ফরিদের কাছ থেকে ২৫ কড়া জায়গা নিয়েছি ওই বাবদ তিনি ৩লাখ ৫০ হাজার টাকা পান।
এদিকে হয়রানীর শিকার ফরিদ দাবি করেন দায়েরকৃত চাঁদাবাজি মামলাটি মিথ্যা বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেন এবং উল্লেখিত টাকা পেতে প্রশাসনের সহযোগীতা চান।
Leave a Reply