নিজস্ব প্রতিনিধি:
চকরিয়া উপজেলার পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নের চৌঁয়ারফাড়ি এলাকার মনির আহমেদ(মনু ড্রাইভার) মৃত্যুর বরণ করেছে প্রায় দীর্ঘ ৮বছর। তিনি মৃত্যুর পূর্বে স্ত্রী লায়লা বেগমকে চৌঁয়ারফাড়ি স্টেশনে অবস্থিত তার মালিকানাধীন সম্পত্তি (মার্কেট)থেকে একটি দোকান ঘর স্টাম্পের মাধ্যমে দানপত্র করে দেন। কিন্তু লোভী ৩য় ছেলে বেলাল উদ্দিন হিংসার বশবর্তী হয়ে সেই থেকে মা লায়লা বেগমকে ভরণপোষণ দেয় না।
উল্টো মায়ের নামের দোকান ঘরটি দখল নেয়ার জন্য অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। বছরখানিক ধরে লোভী সন্তান বেলাল উদ্দিন মাকে দোকানের ভাড়া দিবে বলে দোকান ঘরে প্রবেশ করে আর ভাড়া না দিয়ে উল্টো অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি ধমকী দিয়ে আসছে।
এই বিষয়ে অসহায় মা লায়লা বেগম আরো বলেন, পশ্চিম বড়ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।পরে চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাবলা, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মকসুদুল হক ছোট্টো, ৫নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, ৯নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক, ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সোলতান মাহমুদদের নিয়ে একটি সালিসি বোর্ড গঠন করে। উপরোক্ত সালিসি বোর্ড পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে,উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও যুক্তিতর্ক শেষে একটি সালিসী রোয়েদাদ প্রদান করে।
কিন্তু মায়ের অবাধ্য ছেলে বেলাল উদ্দিন সালিসি বোর্ডকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ক্ষমতার জোরে অসহায় মায়ের দোকান ঘরটি ছেড়ে দিচ্ছে না। এমতাবস্থায় আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে চকরিয়া থানায় ছেলে বেলালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে লায়লা বেগম । এর প্রেক্ষিতে গত ২০শে অক্টোবর ২০২৩এর মধ্যে দখলকৃত দোকানটি মা লায়লা বেগমকে বুঝিয়ে দিবে বলে ৩শ টাকা মূল্যের স্টাম্পে অঙ্গিকার নামা দেন।
এই ঘটনায় থানাতে মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাংবাদিক এইচ এম রুহুল কাদের বিভিন্ন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশ করে।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২২শে অক্টোবর প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে জানান তিনি।
Leave a Reply