আবদুর রহমান ইবনে আমিন
টেকনাফ প্রতিনিধি:
সম্প্রতি সময়ে দেশের বাজারে কৃত্রিম সংকটে পিয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অবৈধ পথে মিয়ানমার থেকে পিয়াজ বোঝায় করা ট্রলার এনে টেকনাফ জালিয়া পাড়ার ট্রানজিট জেটি ঘাট থেকে পিয়াজের চালান খালাস করতেছে স্থানীয় প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে পিয়াজের চালান খালাস না করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে ট্রাকভর্তি পিয়াজের চালান নিয়ে যাচ্ছে কালোবাজারে। সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতার বোনের জামাই সিআইপি মিয়ানমার থেকে এই পিয়াজের চালান ট্রানজিট ঘাট দিয়ে খালাস করতেছে বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের অভিযোগ সন্ধ্যা ৬ টার পর থেকে ট্রানজিট ঘাট থেকে ট্রাকভর্তি মালামাল বোঝাই করলেও স্থানীয় প্রশাসন কোন ধরণের ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় নি। তাছাড়া অনেকের অভিযোগ উক্ত ট্রানজিট ঘাটে আসা ট্রলারে কি শুধু পিয়াজ এসেছে? না কি ইয়াবা ও স্বর্ণের চালান নিয়ে আসা হয়েছে? সিআইপি ফারুক স্থানীয় বর্তমান ও সাবেক সাংসদের নিকট আত্মীয় হওয়ায় ভয়ে কেউ মুখ খুলতেছে না।
স্থানীয়দের তথ্য মতে, টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা পেঁয়াজ নিয়ে শুক্রবার রাত ৭ টার দিকে পৌরসভার টেকনাফ-মিয়ানমার ট্রানজটি জেটি ঘাটে পেঁয়াজভর্তি জাহজটি ঘাটে ভীড়ে। এসময় ট্রলার থেকে ট্রাকে পিয়াজ বোঝাই করতে দেখা যায়। তবে অভিযোগ উঠেছে, রাতের আঁধারে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজের সাথে মাদক-অস্ত্রের চালান পাচারের সুযোগ রয়েছে।
উক্ত বিষয়ে বন্দর ব্যবসায়ী সিআইপি আব্দু শুক্কুরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি বিষয়টি শুনেছি কিন্তু পেঁয়াজ গুলো কার জন্য এসেছে আমি জানিনা।
এবিষয়ে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মৌলভী মুজিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয় টা জানেন না বলে অস্বীকার করেন।
পিয়াজ খালাসের বিষয়ে জানতে সিআইপি ওমর ফারুকের ব্যবহারিত মোবাইলে একাধিক ফোন করলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে টেকনাফ শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এ এস এম মোশারফ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয় অবগত নই বলে জানান।
টেকনাফ উপজেলা কর্মকর্তা মোঃ আদনান চৌধুরী বলেন,সীমান্তের বিষয় টা আমার দায়িত্বে পড়ে না।তবে আমি বিজিবির সাথে কথা বললে জানতে পারব।
এ বিষয়ে বিজিবি সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
Leave a Reply