এ এম ওমর আলী:
নানা তর্ক- বিতর্কের মধ্য দিয়ে অনুষ্টিত হলো বহুল আলোচিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এতে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম(হাতঘড়ি)। তাকে বিপুল ভোটে বিজয় দেখানো হয়েছে। তার প্রাপ্ত ভোট ৮১৯৫৫। বিজীত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলম(ট্রাক গাড়ি)। তার প্রাপ্ত ভোট ৫২৯৮৬।
নিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সুত্র জানায়, অনুষ্টিত এ নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা ৭জন। তবে মূল প্রতিদ্বন্ধীতায় ছিলেন সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম ও জাফর আলম এমপি। অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন- জাতীয় পার্টির হোসনে আরা(লাঙ্গল), তার প্রাপ্ত ভোট ৭৭৩। বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির হাজী বশিরুল আলম(হাতুড়ি), তার প্রাপ্ত ভোট ৫৩৭। ইসলামী ফ্রন্টের বেলালউদ্দিন(মুমবাতি), তার প্রাপ্ত ভোট ৬৯১। স্বতন্ত্র প্রার্থী কমরুদ্দিন আরমান(কলারছড়া), তার প্রাপ্ত ভোট ১৮০। জাফরপুত্র তানভির ছিদ্দিকী তুহিন(ঈগল), তার প্রাপ্ত ভোট ২৪৪। চকরিয়া-পেকুয়ায় ২৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪লাখ ৮৬ হাজার। কেন্দ্র সংখ্যা ১৫৮টি। দু’উপজেলায় মোট ভোট পড়ে ১৪০৬১৮। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৩৩১২। নানা অনিয়মের অভিযোগে ৩টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহন স্থগিত করে দেওয়া হয়। স্থগিত কেন্দ্র তিনটি হলো-চরন্দ্বীপ ভুমিহিন সমবায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়(কেন্দ্র নং ২৫), দক্ষিণ ফুলছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়(কেন্দ্র নং ৭৪), মরনঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়(কেন্দ্র নং ৮০)। এদিকে পুলিশ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় ভোট ডাকাতিসহ নানা অভিযোগে বিকেল ৩টা ভোট বর্জনের ঘোষনা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর আল(ট্রাক প্রতীক)। জাফর আলম আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিমকে বিজয় করতে আনসার ও পুলিশ সদস্যরা প্রভাব খাটিয়ে ভোট কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। তার বিজয় তারা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়েছে বলে দাবী করেন জাফর আলম। এছাড়া বেশ কয়েকটি স্থানে তার লোকজনকে মারধর করা হয়েছে।
Leave a Reply