নিজস্ব প্রতিনিধি,পেকুয়া:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় দুই পুত্রের বিরুদ্ধে পিতার বসতবাড়ি গুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে মারধরসহ ব্যাপক তান্ডব চালানো হয়। ১৪ ডিসেম্বর সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোয়াখালী উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোঁয়াখালী উত্তর পাড়ায় বসতভিটা ও পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে মৃত আনু মিয়ার পুত্র মো: রহিম গং ও তার আপন সহোদর মো: মানিক, জসিম উদ্দিনের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ৭ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে আনু মিয়ার দুই পুত্র মো: মানিক ও জসিম উদ্দিন বিগত কয়েক বছর পূর্বে অন্যত্রে বসবাস করছিলেন। তবে তারা এ দুই ভাই আনু মিয়ার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে বসতি নির্মাণ করে। ৩ কানি নাল জমিসহ পৃথক দুটি ভিটা মিলে আনু মিয়ার সাড়ে তিন কানির মত সম্পত্তি রয়েছে। ১০ শতক বসতভিটাটিও মানিক ও জসিমের দখলে। ৩ কানি নাল জমিও এ দুই ভাই জোরপূর্বক ভোগ করছিলেন। অপরদিকে পৈত্রিক ভিটার আয়তন ১২ শতক। এ অংশটুকু ৫ ভাইয়ের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ঘটনার দিন সকালে মানিক, জসিম উদ্দিনসহ তাদের অনুগত লোকজন এসে উত্তরপাড়ায় পিতার তৈরীকৃত বসতবাড়িটি গুড়িয়ে ফেলে। এ সময় ছোট ভাই রহিম ও তার স্ত্রী নিষেধ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী-স্ত্রীকে মারধরসহ প্রাণনাশ চেষ্টা চালানো হয়। এ ব্যাপারে আনু মিয়ার পুত্র হানিফ এন্টার প্রাইজ চেয়ারকোচের সুপারভাইজার ছরওয়ার উদ্দিন বলেন, এ ঘরটি আমার পিতার। ছোট ভাই রহিম ও তার স্ত্রী এখন খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এটি চরম অন্যায়। রহিম ও জসিম উদ্দিন গংদের মামা পেকুয়া বাজারের ব্যবসায়ী অলিউল্লাহ জানান, তারা সবাই আমার ভাগিনা। বাড়ি গুড়িয়ে দেওয়া অবিচার হয়েছে। উত্তর পাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম বলেন, খবর পেয়ে আমরা দেখতে গিয়েছিলাম। রহিমের পরিবার খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছে। সম্পত্তির বন্টন ও তাদের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছেলে জসিম উদ্দিন জানান, তারা নিজের ঘর ভেঙ্ েউল্টো আমাদের দায়ী করছে। পেকুয়া থানার ওসি সিরাজুল মোস্তফা জানান, লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply