গত ১৪ এপ্রিল দৈনিক মেহেদী পত্রিকায় পেকুয়ার পূর্ব মেহের নামার পূর্বপাড়ায় বসতবাড়িতে আগুন শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগি জাকের হোছাইন। তিনি দাবী করেন- স্থানীয় মাস্টার রুহুল কাদের ও জসিমউদ্দিনের নের্তৃত্বে দুর্বৃত্তরা আমার ভাতিজা জাহেদের বসতবাড়িতে আগুন দেয়। এ সংক্রান্তে “পেকুয়ায় বসতবাড়িতে আগুন” শীরোনামে দৈনিক মেহেদী পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেন জসিম ও মাস্টার রুহুল কাদের। তাদের প্রতিবাদখানা যেন শাক দিযে মাছ ঢাকার চেষ্টা। তারা সাজানো বক্তব্য তোলে ধরে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করেছেন। মূলত মাস্টার রুহুল কাদের ও পুলিশের কনস্টেবল থেকে এস আই হওয়া নেজামউদ্দিনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনে বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যা খুবই দুঃখজনক। প্রতিবাদের নামে জসিম ও রুহুল কাদের প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে একটি কাল্পনিক প্রতিবাদ লিপি দিয়েছে। নেজামউদ্দিন ও রুহুল কাদের গং এর সাথে আমি নিম্ন সাক্ষরকারি জাকের হোসনের ১ একর ৫০শতক জমি জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। যার মৌজা :মেহেরনামা, আর এস খতিয়ান নং২০১১, বিএস খতিয়ান নং ৫৭৫, জমাভাগ খতিয়ান নং ১০০২, ১০১০ ও ২৬৬৭, বিস দাগ নং ৭০৯২, ৮১৪৪, ৮১৪৩। প্রতিপক্ষরা দীর্ঘকাল ধরে এ জমি অবৈধভাবে জবরদখলের চেষ্টা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় দুর্বৃত্তরা আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করে আসছে, ওদের মিথ্যা মামলায় আমি দুইবার কারাগারে গিয়েছি। ভূমি দস্যূরা গত ১২ এপ্রিল আমার ভাতিজা জাহেদের বাড়ীতে আগুন দেয়, আমার ৯৫ বছর বয়সী পিতা জনাব কাসেম আলী তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে উঠলে তা তিনি দেখে ফেলেন। ফলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। তাদের প্রতিবাদ লিপিতে তারা প্রকৃত সত্য আড়াল করে উল্টো আমি নিম্ন সাক্ষরকারির উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করে। বর্তমানেও তারা প্রতিনিয়ত আমাকে অপহরণ করবে, গুম করবে এবং হত্যা করবে বলে প্রকাশ্যে হুমকী দিচ্ছে। তারা স্থানীয় শালিস বিচার মানেনা, সেনাবাহিনীর বিচারও তারা মানেনি। তারা যে প্রকৃত ভূমিদস্যূ তা শীলখালী ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান প্রত্যয়নপত্র দিয়েছে। তারা ভূমি দস্যূ হিসেবে এলাকায় বহুল পরিচিত বললে চলে। আমি রহুল কাদের ও জসিমের কথিত প্রতিবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারি-
জাকের হোসেন, পিতা: কাসেম আলী,
৪নং ওয়ার্ড, মেহেরনামা, পেকুয়া।
Leave a Reply