পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় মগনামা ইউনিয়নের কোদাল্যাদিয়ায় চিংড়ি ঘের থেকে মাছ লুটের ঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। ৩০ আগস্ট (বুধবার) চকরিয়া সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এ মামলাটি রেকর্ড হয়েছে। যার মামলা নং ২০৭৬/২৩। মামলাটি তদন্ত করবে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মামলার আসামীরা হলেন-মগনামা ইউনিয়নের কোদাল্যাদিয়ার আশরাফ মিয়ার পুত্র আবদুল হাকিম (১৬), দুই ভাই আবদু রহমান (৩২), আবদুল মান্নান (২২), মৃত একরাম মিয়ার পুত্র মনছুর (৩৭), মৃত মোহাম্মদ আলীর পুত্র আশরাফ মিয়া (৫২) ও তার ভাই নুরুল কবির (৫৬)। কোদাল্যাদিয়া এলাকার নুরুল কাদের বাদী হয়ে এ মামলাটি কোর্টে রুজু করেন।
মামলা সুত্রে জানা গেছে, কোদাল্যাদিয়ায় ১৫ একর আয়তন বিশিষ্ট ১টি চিংড়ি ঘেরে চলতি বর্ষার সময় বাদীর ছেলে দিদারুল ইসলাম মাছ চাষ করছিলেন। চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ অবমুক্ত করে ওই ঘেরে ২৬ আগস্ট রাতে ঘের থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার সমপরিমাণ অর্থের মাছ আহরণ করে। পরদিন সকালে মাছগুলি বিক্রির জন্য সরবরাহ করবে। এ দিকে ওই দিন রাতে এজাহারে নাম উল্লেখিত আসামীসহ অজ্ঞাত আরো ২০/২৫ জন আসামীরা আগ্নেয়াস্ত্র দেশীয় তৈরী ধারালো তৈরী অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে চিংড়ি ঘেরে হানা দেয়। এ সময় আহরণকৃত মাছগুলি ঘেরের বাসা থেকে লুট করে নিয়ে যায়। এমনকি বাদীর ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়। ঘটনার জের ধরে আসামীরা মৎস্য চাষী বাদীর ছেলে দিদারুল ইসলামকে বন্দুকের বাট দিয়ে সর্বশরীরে জখম করে। স্থানীয়রা জখমী দিদারুল ইসলামকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে মামলার বাদী নুরুল কাদের জানান, আসামীরা ডাকু প্রকৃতির লোক। ১ নং আসামীর বিরুদ্ধে ফৌজধারী দন্ডবিধির গুরুতর ধারায় অর্ধডজন মামলা আছে। অপর আসামীরাও প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।
Leave a Reply