তৌহিদুল ইসলাম কায়রু,
লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।
শাহ্ সাহেব কেবলার পরামর্শে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া সংবিধানে “বিসমিল্লাহ” অন্তর্ভুক্তি ও বিএনপিতে ১৯ দফা প্রনয়ন করেছিলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চুনতী সীরত মাহফিলে সবসময় আসতেন। হেলিপ্যাড দিয়ে এ মাঠে নামতেন। আরফাত ময়দানে জিয়াউর রহমানের হাতে লাগানো নিম পাতা গাছ রয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতিতে ঐতিহ্যবাহি সীরত ময়দানে ৫৪তম মাহফিলের ১৬তম অধিবেশনে বিশেষ মেহমানের বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো তুলে ধরেন।
তিনি আরো বলেন, মহাবিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব রাসুল (সাঃ) এর আদর্শই উত্তম আদর্শ। তাকে অনুসরণ অনুকরণ করে সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনার বিকল্প নেই। তিনি বিশ্ব শান্তি ও মানবতার পথ প্রদর্শক। আমরা সবাই ওনার উম্মত। তার আদর্শকে বুকে ধারণ করতে হবে। কোরআন আমাদের সংবিধান। কোন অনৈক্য থাকবেনা। কোরআন ও হাদিসের আলোকে আমাদের চলতে হবে।
লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেছেন, এ সীরত মাহফিলকে ঘিরে লোহাগাড়ার আপামর জনসাধারণ, তৌহিদি জনতা অধিক আগ্রহে অপেক্ষা করত সীরত মাহফিলের জন্য। জালিমের হাত থেকে দেশ রক্ষা পেয়েছে, স্বৈরাচারের হাত থেকে দেশ রক্ষা পেয়েছে, জালিমের হাত থেকে ইসলাম রক্ষা পেয়েছে। আমরা আজকে স্বাধীন। স্বাধীন দেশে বসবাস করছি আমরা। আওয়ামী লীগ আমাদেরকে কোন কথা বলতে দেয়নি। আলেম-ওলামাদের স্বাধীনভাবে কথা বলতে দেয়নি। স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
এ অধিবেশনে প্রধান ওয়ায়েজ ছিলেন মাওলানা মোস্তাক আহমেদ ফয়েজি। মাহফিলে চুনতি হাকিমিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা হাফিজুল ইসলাম নিজামী, বর্তমান অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ ফারুক হোসাইন, শাহ সাহেব কেবলার দৌহিত্র হাফিজুল ইসলাম আবুল কালাম আজাদ, ইমাম বায়হাকি, ব্যবসায়ী আবদু শুক্কুরসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা, সাংবাদিক ও আলেম-ওলামাগণ উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply