পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়ায় আওয়ামীলীগ নেতা মুপ্তি সামশুর বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর বসতবিটা জবর দখল করে নিতে হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানাযায়, পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুপ্তি সামশু ও তার ছেলে জিয়াউল হক মারুফ, আজিজুল হক মিছবাহর বিরুদ্ধে প্রতিবেশী মাওলানা আবুল আনোয়ারের বসতবিটার পুকুর জবর দখলচেষ্টার ও বসতবিটা দখলে নিতে প্রতিনিয়ত হুমকি দেয়ার ও বসতঘরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে বলে আবুল আনোয়ারের ভাই আবুল মনসুর জানিয়েছে। তিনি এব্যাপারে পেকুয়া থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান। আবুল মনসুর আরো বলেন, বারবাকিয়া মৌজার বিএস ৯২৩ ও ৯৩০ খতিয়ানের ৬৮৬৪ দাগ ৬৮৬৯ দাগের মোট ২৬শতক জমি ক্রয় করে দীর্ঘ ৪০বছর ধরে বসতভিটায় পুকুর স্থাপন করে ভোগদখলে থাকা জমি মুপ্তি সামশু গোপনে নিজের নামে জমাভাগ খতিয়ান সৃজন করে যা জমাভাগ মামলা নং ৭৬(১)২০০১-০২। আমরা জানতে পেরে ওই খতিয়ানের বিরুদ্ধে আপীল মামলা দায়ের করি যার মামলা নং- ৪৬/২৩ পেকুয়া। আদালত পেকুয়া সহকারী কমিশনার ভূমিকে সরজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে আদেশ দিলে বারবাকিয়া ভূমি অফিসের সহকারী তহসিলদার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে উক্ত জমি মুপ্তি সামশুর দখলে ছিলনা বলে এবং আমাদের দখলে আছে উল্লেখ করেন। বর্তমানে তিনি পুকুরটি নিজের দখলে দেখানোর জন্য জবর দখলের পায়তারা করায় আমি বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করে প্রতিকার চেয়েছি। স্থানীয় লোকজন বলেন, মৌলানা নুরুল হকের ৪০বছরের দখলীয় বসতবিটা পুকুর মুপ্তি সামশুর কখনো ছিলনা। মুপ্তি সামশুর বসতবিটা তার ক্রয়কৃত অংশ থেকে এখনো বেশী আছে। বিগত আওয়ামীলীগের সময়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মানুষের জমি দখল বসতবিটা দখল সহ তার ছেলেরা ছাত্রলীগ নেতার পরিচয়ে অনেকের টাকা আত্মসাৎ করেছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের সক্রিয় নেতাকর্মীরা এখনো কিভাবে অন্যায় ভাবে সাধারণ মানুষকে নির্যাতন করে এটি প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন। পেকুয়া থানার ওসি সিরাজুল মোস্তফা জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply