পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় এক গৃহবধূকে মাথায় কুপিয়ে জখম করে। চকরিয়া থেকে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। এ সময় পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা দুবৃর্ত্তরা ধারালো কিরিচ নিয়ে মাথায় কুপিয়ে আহত করে। ২৮ ফেব্রæয়ারী সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব গোঁয়াখালীতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহত ওই নারীকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহত আয়েশা বেগম (৪৫), তিনি চকরিয়া পৌরসভার থানা রাস্তা মাথার মোহাম্মদ পেঠানের স্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জখমী আয়েশা বেগমের পিতার বাড়ি সদর ইউনিয়নের গোয়াখালী মাতবরপাড়ায়। ওই নারীর ছোট ভাই রবিউল করিম আফ্রিকার দেশ লিবিয়া থেকে সম্প্রতি বাড়িতে আসেন। ছোট ভাইকে দেখতে বড় বোন পেকুয়ায় আসেন। পূর্বগোঁয়াখালীতে আয়েশা বেগমের মেয়ে মরিয়ম সোলতানা নোভার স্বামীর বাড়ি। ওই দিন সকালে আয়েশা বেগম তার মেয়ের বাড়িতে পৌছেন। এ সময় পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা পূর্ব গোঁয়াখালী এলাকার আবদুল কুদ্দুসের পুত্র গিয়াস উদ্দিন ধারালো কিরিচ নিয়ে তাকে মাথায় কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। মাকে উদ্ধার করতে আয়েশা বেগমের মেয়ে মরিয়ম সোলতানা নোভা দ্রæত সেখানে যান। এ সময় উত্তেজিত হামলাকারী আয়েশা বেগমের নোভাকেও টানা হ্যাঁচড়া, কিল, ঘুসি ও লাথি মারে। এক পর্যায়ে বসতভিটায় রোপিত বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা কেটে ফেলে।
আয়েশা বেগমের ছোট ভাই প্রবাসী রবিউল করিম, মেয়ের জামাই মোহাম্মদ ফরমান, বড় ভাইয়ের স্ত্রী আমেনা বেগমসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এটি জঘন্য অপরাধ। আয়েশার মেয়ে ও মেয়ের জামাইকে দীর্ঘদিন ধরে হাকাবকাসহ হুমকি ধমকি দিচ্ছিল। মূলত মেয়েকে নিয়ে শত্রæতা করছিল গিয়াস উদ্দিনসহ দুবৃর্ত্তরা। তারা ওই দিন অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে চকরিয়া থেকে আসা নোভার মা আয়েশাকে কুপিয়ে জখম করে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত গিয়াস উদ্দিনের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। মুঠোফোনে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি। পেকুয়া থানার ওসি মো: ইলিয়াছ জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply