পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় আ’লীগ ওয়ার্ড কমিটির সভাপতিকে প্রাণনাশ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় দুবৃর্ত্তরা তার বসতবাড়িতে তান্ডবসহ ভাংচুর চালায়। শুক্রবার (১০ মে) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ফতেহ আলী মা’র পাড়ায় নুরুল কবির সওদাগরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জায়গা নিয়ে ফতেহ আলী মা’র পাড়ায় নুরুল আমিনের পুত্র আ’লীগ মগনামা ইউনিয়ন শাখার ২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি নুরুল কবির প্রকাশ কবির সওদাগর ও স্থানীয় আবদুল মোনাফের পুত্র জামাল উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন গংদের বিরোধ রয়েছে। ২০০৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ৬০৮৬ দলিলমূলে নুইন্যারপাড়ার ছৈয়দ আহমদের কাছ থেকে ১১.৩৩ শতক জায়গা নুরুল কবির সওদাগর খরিদ করেন। দিয়ারা রেকর্ডে ৩.৩৩ শতক জায়গা ভূল রেকর্ডে কর্তন হয়ে যায়। সহকারী জজ আদালত কক্সবাজারে রেকর্ডের বিরুদ্ধে অপর মামলা ১৮০/২৩ রেকর্ড হয়। নুরুল কবির সওদাগর ওই মামলার বাদী। জামাল উদ্দিন, ছৈয়দ আহমদের পুত্র দুলা মিয়া গংসহ ১৯ জনকে পক্ষভূক্ত বিবাদী করা হয়। ওই মামলাটি বিচারাধীন। এ দিকে ঘটনার দিন সকাল ১০ টার দিকে ছৈয়দ আহমদের পুত্র দুলা মিয়া, এনামুল হকসহ ১০-১২ জনের উত্তেজিত লোকজন কবির সওদাগরের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। এ সময় তারা বসতভিটায় ভাংচুরসহ তান্ডব চালায়। কবির সওদাগর ও তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম তান্ডবের প্রতিবাদ করে। দুলামিয়াসহ উত্তেজিত লোকজন কবির সওদাগর ও তার স্ত্রীকে গালিগালাজ, হুমকি ধমকিসহ হামলার চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে তারা স্বামী-স্ত্রী দম্পতিকে প্রাণনাশের জন্য ধেয়ে আসে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এ ব্যাপারে আ’লীগ নেতা কবির সওদাগর জানান, আমি এ জায়গা ছৈয়দ আহমদ থেকে কিনেছি। বিরোধ জামাল উদ্দিন গংদের সাথে। দুলা মিয়া গংদের সাথে আমার কোন বিরোধ নেই। মূলত জেটিঘাট সংশ্লিষ্ট এ জায়গাটির মূল্য বেড়ে গেছে। এতে তাদের কুদৃষ্টি পড়ে। এ সব মূলত চাঁদার জন্য করা হচ্ছে। পেকুয়া থানার ওসি মো: ইলিয়াছ জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply