জিয়াউল হক জিয়া:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জননেতা সালাহ উদ্দিন আহমদের সাথে চকরিয়া উপজেলার ৪ ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানেরা সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেছেন।
শনিবার (৯আগস্ট) রাত ৮টার দিকে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে সালাহ উদ্দিন আহমদের সাথে করা হয়েছে।
সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন-ডুলাহাজার ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন শিপু।তিনি প্রতিবেদককে জানান-কক্সবাজারের উন্নয়নের রুপকার ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জননেতা সালাহ উদ্দিন আহমদের সাথে চকরিয়া উপজেলার চার ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানেরা গুলশান কার্যালয়ে সাক্ষাত করেছি।আমি সহ বিএমচর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো: ইসমাইল মানিক, কাকারা ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো: শফিকুল ইসলাম ও পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের সম্প্রতি দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ।
তিনি আরো জানান-প্রিয় নেতার সাথে সাক্ষাৎ হলে,উপদেশ মূলক আমাদেরকে বলেন,তোমরা নিজের ইউনিয়নের জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে আন্তরিকতা সাথে কাজ করা।ইউনিয়ন পরিষদের সকল সেবার কার্যক্রম স্বচ্ছল,স্বচ্ছতা,জবাবদিহিতা মূলক করা।পরিষদে যাওয়া সেবাপ্রাপ্তির,সেবা ভোগান্তিহীন নিশ্চিত করা।যাতে কোন লোক হয়রানির শিকার না,সেদিকে খেয়াল।ইউনিয়ন জনবহুল রাস্তা-ঘাট চলাচল অনুপযোগী হলে বা খানাখন্দক হলে,দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্হা নেওয়া। সামনে জাতীয় নির্বাচন, তাই মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি,যানচলাচল উপযোগী করতে হবে।মানুষ যেন দীর্ঘ ১৭ বছর পরে ভোট দিতে যাবে।তাই সকল নাগরিককে যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।দেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার আসলে,সবকিছু নিয়মানুসারে হবে এমন পরামর্শ দিয়েছেন। নেতার সাথে সাক্ষাৎ হলে,উপদেশ মূলক আমাদেরকে বলেন,তোমরা নিজের ইউনিয়নের জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে আন্তরিকতা সাথে কাজ করা।ইউনিয়ন পরিষদের সকল সেবার কার্যক্রম স্বচ্ছল,স্বচ্ছতা,জবাবদিহিতা মূলক করা।পরিষদে যাওয়া সেবাপ্রাপ্তির,সেবা ভোগান্তিহীন নিশ্চিত করা।যাতে কোন লোক হয়রানির শিকার না,সেদিকে খেয়াল।ইউনিয়ন জনবহুল রাস্তা-ঘাট চলাচল অনুপযোগী হলে বা খানাখন্দক হলে,দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্হা নেওয়া। সামনে জাতীয় নির্বাচন, তাই মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি,যানচলাচল উপযোগী করতে হবে।মানুষ যেন দীর্ঘ ১৭ বছর পরে ভোট দিতে যাবে।তাই সকল নাগরিককে যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।দেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার আসলে,সবকিছু নিয়মানুসারে হবে এমন পরামর্শ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য-২৪’র জুলাই ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরে সারাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের অধিকাংশ চেয়ারম্যান রাজনৈতিক ও বিভিন্ন মামলায় আসামি হয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। যার প্রেক্ষিতে ইউনিয়নের নাগরিক মৌলিক সেবাসমূহ চরম ভাবে ব্যহত হয়ে পড়ে। এতে করে চকরিয়া উপজেলায়ও ১৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৫টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান না থাকার সুবাদে নাগরিক সেবা কার্যক্রম সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে। কিন্তু অন্তবর্তী সরকার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যেসব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত রয়েছে সেই সব ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক প্রশাসক নিয়োগ করেন। এরই আলোকে চকরিয়া উপজেলার বিএমচর, ডুলাহাজারা, কাকারা ও পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে জেলা প্রশাসকের পরিপত্রের মাধ্যমে নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করার লক্ষে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা অর্পনের মধ্যদিয়ে স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানকে পরিষদ পরিচালনার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়।
Leave a Reply