1. news@aponbanglanews.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
   
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সামান্য বৃষ্টিতেই পেকুয়া বাজারে জলাবদ্ধতা: ফুটপাত দখল ও অবৈধ পার্কিংয়ে চরম ভোগান্তি নাইক্ষ্যংছড়িতে খাল পার হওয়ার সময় রাবার শ্রমিকের মৃত্যু কোস্টগার্ডের জনবল দ্বিগুণ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসে ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার, চালকসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার নাইক্ষ্যংছড়িতে সিএনজি থেকে ইয়াবা জব্দ, চালক আটক: সিএনজি জব্দ চট্টগ্রামে চার সামাজিক সংগঠনকে অনুদানের চেক বিতরণ করেছে আইএসডিই কক্সবাজার শহরে তীব্র হচ্ছে সুপেয় পানির সংকট: ১,৫০০ ফুট গভীরেও মিলছে না নিরাপদ পানি শেরে বাংলা এওয়ার্ড পেলেন লোহাগাড়ার আলহাজ্ব নুরুল আলম কোম্পানি নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত অসংক্রামক রোগে মৃত্যু ৭১ শতাংশ, কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি

৩২ একর জমি নিয়ে উত্তেজনা চকরিয়ায় মার্মা সম্প্রদায়ের জমি থেকে ফসল লুট

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৪০০ বার

পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের চকরিয়ায় বরইতলী ইউনিয়নের পহরচান্দা মৌজায় ক্ষুদ্র নৃতাত্তি¡ক জাতি গোষ্ঠী মার্মা সম্প্রদায়ের জমি থেকে লুট করা হচ্ছে ফসল। ভীতি ও আতংক তৈরী করে একটি ভূমিদস্যুচক্র মার্মাদের মালিকানাধীন ৬ একর জমি থেকে কেটে নিয়ে যাচ্ছে আমন ফসল। এ দিকে ৩২ একর জমি নিয়ে বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটায় দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ প্রকট আকার ধারণ করেছে। হারবাং বিলের পশ্চিম দক্ষিণ অংশে বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটায় এ নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। জমির আধিপত্য নিতে পাহাড়বেষ্টিত দুর্গম এলাকায় ভাড়াটে জনবলও জড়ো করেছে বলে স্থানীয় সুত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জমির মালিক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মার্মা সম্প্রদায়ের অধিবাসি। ওই সম্পত্তি নিরাপত্তা ও জমিতে রোপিত আমন ফসল সুরক্ষা পেতে মালিকপক্ষ চট্টগ্রামের বিভাগীয় পুলিশ কমিশনারকে লিখিত অভিযোগ দেন। এরপরও মার্মা সম্প্রদায়ভূক্ত জমির মালিকের ফসল জমি থেকে লুট করছে দুবৃর্ত্তরা।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বরইতলী ইউনিয়নের পহরচাঁদা মৌজায় ৩২ একর জমি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। কাগজপত্র ও দালিলিক সুত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, পহরচাঁদা মৌজায় ৩২ একর ৯৮ শতক জায়গার মালিক চকরিয়ার হারবাং ইউনিয়নের রাখাইনপাড়ার মৃত সুইথাউ এর ছেলে মংহ্রোচিং মাষ্টার। ১৯৪৮ ইং সালের ১১ জানুয়ারী ৪৬ নং কবলামূলে শ্রীমতি বুড়ি নামক উপজাতীয় নারী মংহ্রোচিং মাষ্টারকে ২০ একর ৫৩ শতক জমি রেজিষ্ট্রি দেন। এ ছাড়াও পৈত্রিক সুত্রে ৫একর ৬৩ শতক নানী থেকে প্রাপ্ত অংশ ৬ একর ৮২ শতকসহ ৩২ একর ৯৮ শতক জমির মালিক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মংহ্রোচিং। তবে জমি নিয়ে মংহ্রোচিং ও বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটার শাহ আলম গংদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে দেওয়ানী ও ফৌজধারী মামলাও হয়েছে। কাগজপত্র বৈধ থাকায় আদালত মংহ্রোচিং মাষ্টারের অনুকুলে রায় প্রচার করেন। সুত্র জানায়, চলতি বর্ষা মৌসুমে ৬ একর জমিতে মংহ্রোচিংমাষ্টারের চাষারা আমন ফসল আবাদ করে। অভিযোগ উঠেছে, গত দুই দিন ধরে মছনিয়াকাটায় মংহ্রোচিং মাষ্টারের জমি থেকে আমন ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বিরোধী পক্ষ। এ ব্যাপারে মংহ্রোচিং মাষ্টারের ছেলে হারবাং রাখাইনপাড়ার বাসিন্দা অংথেংছা জানান, আমরা মার্মা সম্প্রদায়ভূক্ত। এ জমি আমার বাবার নিষ্কন্টক সম্পত্তি। বরইতলীর কিছু প্রভাবশালী মানুষ আমাদেকে চরমভাবে হয়রানি করছে। ৩২ একর ৯৮ শতকের মধ্যে চাষ হয়েছে ৬ একরে। বর্ষার সময় হারবাং বিলে পানি থাকে বেশী। তাই অন্য জমি চাষ হয়নি। আমরা ডিআইজিকে অভিযোগ দিয়েছি। এস,পি সার্কেল স্যার হারবাংয়ের আইসিকে দায়িত্ব দিয়েছেন। বৈঠক হয়েছে কয়েকবার। কিন্তু তারা এ সব মানছে না। বরইতলীর ইউপির সদস্য আবদু শুক্কুর জানান, আইসি সাহেব আমাকে বিষয়টি দেখতে বলেছিলেন। আমি গ্রাম পুলিশ পাঠিয়েছিলাম সেখানে। হারবাং পুলিশ ফাড়ির আইসি (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম জানান, শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমি ইউপি সদস্যকে বলেছিলাম। সেখানে কতকানি জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে। জায়গা জমি নিয়ে আমরাতো বিচার সালিশ করতে পারিনা। বরইতলী ইউপির চেয়ারম্যান ছালেকুজ্জামান জানান, হারবাং বিলের এ জমির সমস্যা অনেক আগে থেকে শুনছি। মংহ্রোচিং মাষ্টারের লোকজন আমার এখানে এসেছিল। আমি পরামর্শ দিয়েছি, প্রশাসনিক জোরালো প্রতিকার চাওয়ার জন্য।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
©Apon Bangla News 2025, All rights reserved.
Design by Raytahost