এইচ এম রুহুল কাদের:
রাজধানীতে আগুন দুর্ঘটনার পরে পরে সরকার কর্তৃক অগ্নিনির্বাপক ব্যতীত ভবন ও ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটের বিরুদ্ধে অভিযানের নির্দেশনা দিলেও চকরিয়াতে দৃশ্যমান নাই অভিযান।
পৌরশহরের ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত মার্কেটগুলোতেও ব্যবসা চলছে বছরের পর বছর ধরে।
জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি কোনোধরণের পাত্তাই দিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা, সরকারি সংস্থাগুলো এবং পৌর কর্তৃপক্ষও যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না । অথচ এটা স্পষ্ট যে, দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কায় ভীত তারাও। দুর্ঘটনা হলেই ব্যাপক প্রাণঘাতির আশংকা উড়িয়ে দেয়া যায় না।বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলে কারও হুঁশ হবে না।
চকরিয়া পৌরশহরের নিউ মার্কেট সবচেয়ে পুরোনো একটি মার্কেট,কাঁচাবাজার সংলগ্ন হক সুপার মার্কেট,ওয়াপদা সড়কের এস আর প্লাজা,হাইস্কুল সড়কের মুখে ছিদ্দিক মার্কেট, কাঁচা বাজার শুক্কুর সাওদাগর মার্কেটগুলো অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন স্থানীয়রা। তাছাড়া মাঝারি ঝুঁকিতে রয়েছে হাসু মিয়া মার্কেটের আংশিক,দ্বীনবন্ধু মার্কেট,নিউ সুপার মার্কেট,হাশেম মার্কেট,রওশন মার্কেট,সমবায় মার্কেট,।
এইসব ভবনেরও বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ধরেছে। অনেক জায়গায় কংক্রিট খুলে রড বেরিয়ে আছে। ফাটলে জন্ম নিয়েছে বটগাছ। ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও এখানে ব্যবসা করছেন কেন- এ প্রশ্নের জবাবে একজন বলেন, দোকান ছেড়ে যাব কোথায়? এখানেই তো আমাদের রুটিরুজি।
একজন পরিকল্পনাবিদ বলেন,যে ভবন কোনোভাবেই নিরাপদ না, ঝুঁকিপূর্ণ সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তো কেউ ক্ষমা করবে না। এজন্য ভবন ভাঙতে হবে এটা যেমন সত্য, তেমনি তাদের পুনর্বাসন করতে হবে, এটাও সত্য। শতভাগ পুনর্বাসন না করতে পারি, তাদের ব্যবসা করার একটা জায়গা করে দেওয়া বা তাদের সঙ্গে বসা এগুলো অবশ্যই পাশাপাশি চলবে।
চকরিয়া পৌরসভার প্রকৌশলী জাকির উদ্দিন বলেন, একটি ভবনের ডিজাইন লাইফ থাকে ৫৭ বছর,আমি চকরিয়াতে নতুন আসছি তাই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ব্যাপারে কিছু বলতে পারবো না। চকরিয়া পৌরসভা সচিবের কাছে মুঠোফোনে বিল্ডিং কোড না মেনে ভবন তৈরি, ও ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটের ব্যাপারে আপনারা কি ব্যাবস্থা নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি সরাসরি কথা বলবেন বলে মোবাইল কেটে দেন। ফায়ার সার্ভিস চকরিয়া স্টেশন ইনচার্জ সেলিম উদ্দিন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন,ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা উপরস্থ কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছি,হয়ত দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন।
Leave a Reply