পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় পেটালেন ৩ মাসের অন্ত:স্বত্তাসহ ৩ নারীকে। সড়কে গরু বাধাঁকে কেন্দ্র করে দু’দফা হামলা ও মারধরের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ ও ইউপির গ্রাম পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের পশ্চিম টইটং শের আলী মাষ্টার পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আহতরা হলেন-ওই এলাকার সৌদি প্রবাসী মো: বাদশাহর স্ত্রী ৩ মাসের অন্ত:স্বত্তা শাহিন আক্তার (৩০), মো: সোলতানের স্ত্রী সেহেরুন্নেছা (৫০), বিবাহিত মেয়ে হালিমা বেগম (২০)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শের আলী মাষ্টার পাড়ায় বসতভিটার পাশে সড়কের নিকটে রশি দিয়ে গরু বাঁধে সোলতানের পরিবার। রবিবার সকালে এ নিয়ে প্রতিবেশী শাহ আলমের পুত্র আবদুল মালেক প্রকাশ মানিকের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এ সময় মানিক লাঠি নিয়ে সোলতানের স্ত্রী সেহেরুন্নেছাকে হামলা করে। প্রবাসী বাদশাহর স্ত্রী শাহিন আক্তার ওই কান্ডের প্রতিবাদ করে। এ সময় উত্তেজিত মানিক ওই নারীকেও পিটিয়ে আহত করে। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে একই বিষয় নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে ফের দ্বন্ধ হয়। এ সময় মানিক ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি নিয়ে বাদশাহর স্ত্রী অন্ত:স্বত্তা শাহিন আক্তারকে দ্বিতীয় দফায় হামলা করে। মো: সোলতান জানান, আমার স্ত্রী সেহেরু ও মেয়ে হালিমা বেগম চাচীকে উদ্ধার করতে গিয়েছিল। হামলাকারী মানিক এ দু’জনকেও লাঠি দিয়ে আহত করে। গ্রাম পুলিশ কামাল হোসেন জানান, তারা নিকটাত্মীয়। আমি গিয়েছিলাম। সমাজপতি আবদুল গফুর বলেন, বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য চেয়ারম্যান আমাকে পাঠিয়েছিলেন। মানিক আমার সামনে মারধর করেছে। টইটং ইউপির চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, তারা পরষ্পর নিকটাত্মীয়। আমার এখানে বিচার এসেছে। আমি দু’পক্ষকে সন্ধ্যায় আসতে বলেছি। পেকুয়া থানার ওসি মো: ইলিয়াছ জানান, খবর পেয়ে আমি পুলিশ পাঠিয়েছি। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে
Leave a Reply