দেলোয়ার হোসেন রশিদী:
চট্টগ্রাম লোহাগাড়ার কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রবিউল আউয়াল। তিনি ২০২১সালে লোহাগাড়া কৃষি অফিসে যোগদান হতে উপজেলা ইউনিয়ন আধুনগরে প্রতিটি ওয়াডে দেশের কৃষি উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় অনাবাদি জমিতে চাষাবাদ ও কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন ক্ষেতে মৌসুমে সবজির উৎপাদন ও প্রতিরোধের রোগ বালাই এবং চাহিদা পূরণের জন্য সাধারণ কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয়, একজন আস্তাভাজন কৃষি কর্মকর্তায় প্রশাংসায় -পঞ্চমুখ হয়ে উঠছেন তিনি। সরজমিনে আধুনগর ৪ নং ওয়াডের কূলপাগলির বাসিন্দা কৃষক আবদুল কাদের জানান, আমি কৃষি কর্মকর্তার আন্তরিক পরামর্শ, সহযোগিতায় গত ২ বছর পর্যন্ত ১৫ গন্ডা বর্গা জমি নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করে লাভবান হয়েছি। তাহা বাজারে বিক্রির চাহিদা অনেক। এখন অন্য চাষ-বাষের তুলনায় পেঁয়াজ চাষে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।১ নং ওয়াড আকবর পাড়ার কৃষাণি শাহিনা আকতার জানান, কৃষি অফিসের পরামর্শে পরিচর্চা করে সরিষা ও ভুট্টা চাষে আমার ভালো ফলন হয়েছে। বড়ুয়া পাড়ার রতন বড়ুয়া জানান, আমার নিজস্ব পরিতাত্য জমিতে দেশিয় সাগর নামক কলা গাছ রোপন করছি, কলার নতুন গজায় অংশে পোকা-মাকড় ও পিঁপড়া জড়িয়ে কলার মাতি ও গাছ শুখিয়ে নষ্ট করে দিত। আমি কৃষি অফিসের শরাপর্ন হয়ে কৃষি কর্মকর্তা সরজমিনে দেখে রোগ বালাইয়ের পরামর্শে প্রতিষেধক ব্যাবহার করলে তা থেকে মুক্তি পায়, আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ। কৃষি উপসহকারী রবিউল আউয়াল বলেন, দেশের উন্নায়নে কৃষিকাতকে শক্তিশালী রূপান্তরিত করতে কৃষকদেরকে উদ্ভুদ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, উপজেলার কৃষি অফিসার স্যার মহোদয় সার্বিক তথ্যাবধায়ন ও নির্দেশনায় আধুনগর ইউনিয়নের নয় ওয়াডে কৃষকদের মাঝে গ্রুপ টিম তৈরি করে চাষাবাদের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছি। উপজেলার কৃষি অফিসার কাজী শফিউল আলম জানান, আমাদের দেশ কৃষক নির্ভরশীল। সরকার অনাবাদী জমিনকে চাষাবাদের জন্য ব্যাপক হারে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং কৃষকদের মাঝে চাহিদা পূরণে উপজেলার কৃষি অধিদপ্তর বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। তাছাড়া তাদের নিরুৎসাহীত ঝুঁকি কমাতে আমাদের কৃষি অফিস নিয়মিত দিচ্ছে সেবা।
Leave a Reply