1. news@aponbanglanews.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
   
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শেরে বাংলা এওয়ার্ড পেলেন লোহাগাড়ার আলহাজ্ব নুরুল আলম কোম্পানি নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত অসংক্রামক রোগে মৃত্যু ৭১ শতাংশ, কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি খুরুশকুলে নিখোঁজ পুরোহিতের অর্ধদগ্ধ ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দ্রুত বিচার দাবিতে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ নাইক্ষ্যংছড়িতে অস্ত্রের মুখে ৩ রাবার শ্রমিককে অপহরণ পাচারের আগমুহূর্তে সেগুন কাঠ জব্দ নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ আটক-২ লোহাগাড়ায় চেক প্রতারণা মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে পেকুয়ায় বসতবাড়িতে আগুন: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদের প্রতিবাদ ফ্যাসিস্ট মন্ত্রীর প্রভাবে মহাজন,কোটি টাকার হরিলুট বালিজুড়ী রেঞ্জারের স্বেচ্ছাসারিতায় ধ্বংস হচ্ছে বন

বসতভিটায় থাকা নিষিদ্ধ আকাশমণি গাছ কাটার দায়ে বনবিভাগের মামলাঃ টাকা নিয়ে অনুমতি

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৮৮ বার

স্টাফ রিপোর্টারঃ
সরকার গত জুলাই মাসে পরিবেশ বিধ্বংসী আকাশমণি ও ইউক্যালিপটাস গাছের চারা,রোপন,বুনন ও পরিবেশন করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
তারই-বাহিকতায় কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের,ফুলছড়ি রেঞ্জের,ফুলছড়ি সদর বিটের এলাকা খুটাখালী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দরগাহপাড়া নুরুল আলমের দীর্ঘ ২যুগের বসবাসরত বসতভিটায় থাকা নিষিদ্ধ আকাশমণি গাছ কাটার দায়ে সংশ্লিষ্ট বনবিভাগ গত ২ জুলাই ২জনের নামে পিওআর বন মামলা নং-১২৭/২৫ইং দায়ের করেন।
মামলার আসামীরা হলেন-খুটাখালী ৬নং ওয়ার্ডের পূর্ব পাড়ার মৃত আব্দুল মোনাফের ছেলে আনসারুল হক ও ৮নং ওয়ার্ডের মৃত নজির আহমদের ছেলে নুরুল আলম।
উল্লেখ্য-গত ১০ জুলাই চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আতিকুর রহমান ও ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মিলে বিভিন্ন নার্সারিতে গিয়ে সরকারকৃত নিষিদ্ধ আকাশমণি ও ইউক্যালিপটাস চারাগাছ,বুনন,রোপন এবং পরিবেশন না করার অনুরোধে তা ধ্বংস করেন।সে লক্ষে ক্ষতিপূরণ দিয়ে এসব পরিবেশ বিধ্বংসী গাছ ধ্বংস করেছেন।
পরিবেশ বান্ধব সংগঠনের (বাপা) উপজেলা ও জেলার কয়েকজন নেতা বলেন-আকাশমণি গাছকে সরকার পরিবেশ বিধ্বংসী বলে ঘোষণা করেন।এই গাছের চারা বুনন,রোপন,পরিবেশন করা যদি নিষিদ্ধ করে থাকেন।তেমনি সেই আকাশমনি গাছ দন্ডায়মান থাকলে তা কেটে ফেরে পরিবেশকে বাচানোও উচিত বলে আমরা মনে করছি।
মামলার আসামী আনসারুল হক ও আলম জানান-আমরা মূর্খ ব্যক্তি।তবে শোনেছি সরকার আকাশমণি গাছকে নিষিদ্ধ আর পরিবেশের ক্ষতিকারক গাছ বলে ঘোষণা করেন।তারই-বাহিকতায় আমরা বসতভিটায় থাকা নিষিদ্ধ আকাশমণি গাছ কাটার জন্য সংশ্লিষ্ট বনবিভাগের ফরেস্ট গার্ড মামুন,হাসান,হেডম্যান আব্দু শুক্কুর সাথে পরামর্শ করি।তারা আমাদের থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা নাস্তা খরচ নিয়ে গাছ কেটে ফেলার জন্য মৌখিক অনুমতি দেন।তাদের কথা মতে গাছ কেটে ফেলি,এমতাবস্থায় তারা গিয়ে গাছগুলো অফিসে নিয়ে গিয়ে আমাদের নামে বন মামলা দায়ের করান।
টাকা নেননি বা কোন লোকের সাথে কোন কথা বলেনি বলে অস্বীকার করেন সাবেক হেডম্যান আব্দু শুক্কুর।
ফুলছড়ির বিটকর্মকর্তা জুয়েল চৌধুরী বলেন-আকাশমণি গাছ আমি জব্দ করেনি।তবে অফিসের অন্য স্টাপেরা জব্দ করাতে,রেঞ্জ কর্মকর্তার নিদের্শে মামলাটি আমি দিয়েছি।
ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এসিএফ মোঃ রাশিক আহসান বলেন-অফিসের কোন স্টাপ যদি এই গাছ কাটার সাথে জড়িত থাকে।আমি তদন্ত করে,বিষয়টি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ব্যবস্হা নিব।
তিনি আরো জানান-সরকার আকাশমণি গাছ পরিবেশ বিধ্বংসী বলেই এই গাছের চারা বুনন,রোপন,পরিবেশন করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।কিন্তু গাছ কেটে ফেলার নিদের্শনাতো দেয়নি।সেক্ষেত্রে বসতভিটার গাছ হলেও জায়গাটি রিজার্ভ জায়গা।তাই খবর পেয়ে আকাশমণি গাছগুলো জব্দ করায়,পরে তা আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©Apon Bangla News 2025, All rights reserved.
Design by Raytahost