নিজস্ব প্রতিবেদক,পেকুয়া:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় বনের চোরাই কাঠ দিয়ে অনুমোদনহীন অবৈধ ফিশিং বোট তৈরীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে উপকূলীয় বনভিাগ ছনুয়া রেঞ্জ ও উপজেলা প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নিরব ভূমিকা পালন করছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বেশ কিছু দিন আগে পেকুয়ার বনবিভাগের রিজার্ভ জায়গা থেকে বনের চোরাই কাঠ দিয়ে ফিশিং বোট তৈরী করছে উজানটিয়া ইউনিয়নের সোনালী বাজার সংলগ্ন এলাকায় আ’লীগ নেতা হেলাল উদ্দিন। ওই সোনালী বাজারের বেশ কয়েকজন লোকজনের কথা বলে জানা যায়, গত ১৫-২০ দিন আগে থেকে বনের গাছ দিয়ে ফিশিং বোট তৈরী করায় রহস্যজনকভাবে উপকূলীয় বনবিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরব ভূমিকা পালন করছে। এ বোট তৈরীর কাজে সরকারী বনাঞ্চলের গর্জনসহ অবৈধ কাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ভাবে চলতে থাকলে পেকুয়া-চকরিয়ার বনাঞ্চল বৃক্ষশূন্য হয়ে বিরান ভূমিতে পরিনত হবে বলে আশংকা করছে পরিবেশবাদীরা। পেকুয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, স্বৈরাচার সরকারের সাবেক এমপি জাফরের ক্যাডার ও বহু মামলার আসামী মগনামা মটকাভাঙা এলাকার বাসিন্দা মৃত অছিউর রহমানের ছেলে হেলাল উদ্দিন চোরাইকৃত বনের গাছ থেকে কাঠ তৈরী করে ওই এলাকায় নির্মাণ করছে বিশাল বোট। একটি ফিশিং বোট ৪০ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।
উপকূলীয় বনবিভাগ ও রেঞ্জ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের আড়াল করে আওয়ামী দোসর হেলাল বীরদর্পে এমন অপকর্ম করে গেলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর এখনো পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এ বিশাল ফিশিং বোট তৈরী করা নিয়ে ইতিমধ্যে সংঘর্ষের আশংকাও দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে উপকূলীয় বনবিভাগ ছনুয়া রেঞ্জের বন কর্মকর্তা আবদুল গফুর মোল্লা জানান, বিষয়টি আমি জেনেছি। আমার জনবল সংকট থাকাতে এখনো লোক পাঠাতে পারেনি। দ্রæত লোক পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।
Leave a Reply