আবদুর রহমান আল আমিন, টেকনাফ:
কার্তুজ, তিনটি ম্যাগাজিন উদ্ধার অভিযানে কাউকে
আটক করা সম্ভব না হলেও ৭ জন পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর
কক্সবাজারের টেকনাফ বিশেষ জোনের পরিদর্শক
বিদ্যুৎ বিহারী নাথ বাদী হয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বরে
টেকনাফ থানায় ৭ জনকে আসামি করে ২টি মামলা
দায়ের করেন। এর মধ্যে একটি মামলার তদন্ত
কর্মকর্তা হলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর
টেকনাফ বিশেষ জোনের উপ-পরিদর্শক তুন্তু মনি
চাকমা। তাপরটি অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলা,
যা টেকনাফ থানার এক কর্মকর্তার কাছে তদন্তাধীন
রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজারের
টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতের বিচারক আখতার জাবেদ এ আদেশ
দেন বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা
দায়রা ও জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর
(পিপি) ফরিদুল আলম। তিনি জানান, আদালত এটি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে অধিকতর তদন্ত করতে নির্দেশ প্রদান করেছেন।
সূত্র জানিয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পরিচালকের নেতৃত্বে
কক্সবাজারের টেকনাফে গত ২৪ সেপ্টেম্বর এক
অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছিল ৭০০ গ্রাম হিরোইন,
৫৩ হাজার ইয়াবা, ৩টি বিদেশি নাইন এমএম
পিস্তল, একটি বিদেশি পিস্তল, ১৪১ রাউন্ড তাজা
মাদক আইনের মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ বিশেষ
জোনের উপ-পরিদর্শক তুণ্ডু মনি চাকমা মামলার ১
নং আসামি আবদুল্লাহ ও ২ নং আসামি মোহাম্মদ
আবদুল কাদেরকে বাদ দিয়ে দেড় মাসের মাথায়
গত ১০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট)
দাখিল করেন। বিষয়টি নিয়ে প্রতিদিনের
বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন
প্রকাশিত হয়েছে। মামলার নির্ধারিত দিন
অভিযোগপত্রটি গ্রহণ না করে আদালত অধিকতর
তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেছেন।
Leave a Reply