পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় পাহাড়ের দুর্গম এলাকা থেকে আজিজুল হক (৩০) নামের এক যুবককে জোঁরপূর্বক তোলে নিয়ে গেল দুবৃর্ত্তরা।
বুধবার (৮ মে) বিকেলে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের আবাদি ঘোনার পাহাড়ী দুর্গম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানান, বারবাকিয়ার পূর্ব পাহাড়িয়াখালীর ফরুক আহমদের ছেলে আজিজুল হক ও টইটং ইউনিয়নের আবাদি ঘোনার করিমদাদের মেয়ে আয়েশা বেগমের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ৩ বছর ধরে। প্রেমিক জুটির এ সম্পর্ক কনে পক্ষের জানা ছিল। তবে ছেলে পক্ষ ওই সম্পর্কের কথা জানতেন। এ দিকে দীর্ঘদিনের মন দেয়া নেয়ার বিষয়টিকে তারা বিয়ের মাধ্যমে স্বীকৃতি দিতে চেয়েছিল। চলতি ৫ মে প্রেমিক জুটি কক্সবাজারের নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ে গিয়ে হলফনামা মূলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। স্বামী-স্ত্রী হিসেবে তারা সবেমাত্র সংসার শুরু করে। মেয়ের পিতার বাড়িতে ছিল নব দম্পতি।
ঘটনার দিন বিকেলে আজিজুল হকের বড় বোনের স্বামীর নেতৃত্বে একদল দুবৃর্ত্তরা আবাদিঘোনায় দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় আজিজুল হকের শ্বশুর বাড়িতে হানা দেয়। এ সময় তারা জোরপূর্বক ধস্তাধস্তি করে নববধূ আয়েশা বেগমের স্বামী আজিজুল হককে ঘর থেকে বের করে অজ্ঞাত স্থানের দিকে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে নববধূ আয়েশা বেগমের বড় ভাই আহমদ হোসেন জানান, ২ দিন আগে আমার বোনের বিয়ে হয়েছে। তারা নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে এ বিয়ে করে। সম্পর্ক ছিল ৩ বছর। আসলে ছেলের বয়স ৩০ বছর। অন্যদিকে আয়েশার বয়স ১৯ বছর হয়েছে। আজিজ ইলেকট্টনিক্স মেস্ত্রী। আমি বাড়িতে ছিলাম না। শুনেছি ১০/১২ জন এসে অনেকটা বল প্রয়োগ করে ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেছে। আজিজুল হকের শ্বাশুর করিমদাদ জানান, ২ মাস আগে আমার স্ত্রী মারা গেছে। মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক। তারা পরষ্পর পছন্দের মাধ্যমে বিয়ে করে।
বারবাকিয়া ইউপির ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য রেজাউল করিম জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। এ বিয়ে ছেলে পক্ষ মেনে নেয়নি। তারা এসে ছেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। ছেলে মেয়ে প্রাপ্ত বয়ষ্ক হলে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিতে পারেন। এটি তাদের সাংবিধানিক অধিকার।
Leave a Reply